📣 এই জায়গায় আপনার বিজ্ঞাপন দিন — মূল্য তালিকা দেখুন

আমার বাংলাদেশ

পড়তে ১৩ মিনিট
আমার বাংলাদেশ
১৯৫০ থেকে ২০২৬ — রাজনীতি, সংগ্রাম ও ইতিহাসের ইন্টারঅ্যাকটিভ বই
DOCSINHAND.com এর একটি সংগৃহিত সংকলন
📖 সূচিপত্র
অধ্যায় ১ · ১৯৫০–১৯৫৮
পূর্ব বাংলার সূচনা
দেশভাগের পর পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হলেও ভাষা, অর্থনীতি ও ক্ষমতায় বৈষম্য স্পষ্ট হয়।
একুশে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হলে বর্তমান বাংলাদেশ ‘পূর্ব বাংলা’ (পরে পূর্ব পাকিস্তান) হিসেবে পাকিস্তানের অংশ হয়। জনসংখ্যায় বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও রাষ্ট্রক্ষমতা, সেনাবাহিনী ও আমলাতন্ত্রে পশ্চিম পাকিস্তানের আধিপত্য ছিল। ১৯৪৮ সালে মুহম্মদ আলী জিন্নাহ উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে প্রতিবাদের সূচনা হয়, যা ১৯৫২ সালে রক্তাক্ত রূপ নেয়। ভাষার এই লড়াই থেকেই বাঙালির স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সত্তার জন্ম।
প্রধান চরিত্র: খাজা নাজিমুদ্দীন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৫০জমিদারি প্রথার অবসান
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে পূর্ব বঙ্গে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়; কৃষকের জমির অধিকার বাড়ে। একই বছর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।
১৯৫২একুশে ফেব্রুয়ারি
১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল করলে ঢাকায় পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত হয়; ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
১৯৫৪যুক্তফ্রন্টের বিজয়
২১ দফার ভিত্তিতে গঠিত যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগকে ভরাডুবি ঘটায়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করে গভর্নরের শাসন জারি করে।
১৯৫৬প্রথম সংবিধান
বাংলা ও উর্দু রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃত হয়, তবে সংবিধানে ‘সমতা’ (parity) নীতির ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির প্রতিনিধিত্ব কমে যায়।
১৯৫৮সামরিক শাসন
রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে প্রেসিডেন্ট ইসকান্দার মির্জা সামরিক আইন জারি করেন; কিছুদিনের মধ্যে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা কেড়ে নেন।
সফলতাভাষার অধিকার আদায়; গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জনরায়ের প্রতিষ্ঠা; ভূমি সংস্কার।
ব্যর্থতাঘন ঘন সরকার পরিবর্তন; নির্বাচিত সরকার ভেঙে দেওয়া; সংসদীয় ব্যবস্থার পতন।
অধ্যায় ২ · ১৯৫৮–১৯৬৬
সামরিক শাসন ও অসন্তোষ
আইয়ুব আমলে শিল্পায়ন হলেও পূর্ব পাকিস্তানের সম্পদ পশ্চিমে প্রবাহিত হওয়ার অভিযোগ বাড়ে।
৬ দফালাহোর, ১৯৬৬অধিকারের প্রথম সনদ
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: ছয় দফা
আইয়ুব খান ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ চালু করে সীমিত ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেন। এ সময় পাট রপ্তানির আয় পূর্ব পাকিস্তান থেকে এলেও বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বেশি হতো পশ্চিমে। অর্থনীতিবিদরা ‘দুই অর্থনীতি’ তত্ত্বে এই বৈষম্য ব্যাখ্যা করেন। রাজনৈতিক দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা, সংবাদপত্রে সেন্সরশিপ ও নেতাদের গ্রেপ্তারের মধ্যেও ছাত্র-রাজনীতি সক্রিয় থাকে।
প্রধান চরিত্র: আইয়ুব খান, শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদ, ফাতেমা জিন্নাহ (১৯৬৫-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী)।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৬২শিক্ষা আন্দোলন
শরীফ কমিশনের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্ররা পথে নামে; একই বছর নতুন সংবিধানে প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার সীমিত করা হয়।
১৯৬৫ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ
যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তান কার্যত অরক্ষিত ছিল। এতে স্বায়ত্তশাসন ও নিজস্ব প্রতিরক্ষার দাবি জোরালো হয়।
১৯৬৬ছয় দফা
লাহোরে বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিব ছয় দফা পেশ করেন — ফেডারেল সংসদীয় ব্যবস্থা, মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা, আলাদা আধাসামরিক বাহিনী ইত্যাদি। একে বাঙালির মুক্তিসনদ বলা হয়।
সফলতাঅবকাঠামো ও শিল্পে কিছু অগ্রগতি; স্বায়ত্তশাসনের সুস্পষ্ট দাবি।
ব্যর্থতাআঞ্চলিক বৈষম্য; মত প্রকাশের ওপর দমন; নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের অভাব।
অধ্যায় ৩ · ১৯৬৬–১৯৭০
ছয় দফা থেকে গণঅভ্যুত্থান
ছয় দফাকে ঘিরে আন্দোলন গড়ে ওঠে; নেতারা কারাবন্দি হন, ছাত্র-জনতা রাস্তায় নামে।
গণঅভ্যুত্থান ১৯৬৯
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: জনতার মিছিল
ছয় দফার পর সরকার মুজিবসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তার করে এবং ৭ জুন ১৯৬৬-র হরতালে পুলিশের গুলিতে প্রাণহানি ঘটে। ১৯৬৮ সালে আগরতলা মামলা বাঙালির ক্ষোভকে আরও বাড়ায়। ১৯৬৯-এর শুরুতে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা কর্মসূচি ও শ্রমিক-কৃষকের অংশগ্রহণে তা বিশাল গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
প্রধান চরিত্র: শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানী, তোফায়েল আহমেদ, আসাদ, ড. শামসুজ্জোহা, আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৬৮আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
মুজিবসহ ৩৫ জনকে ভারতের সহায়তায় বিচ্ছিন্নতাবাদী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। বন্দি সার্জেন্ট জহুরুল হকের হত্যা আন্দোলনে ইন্ধন জোগায়।
১৯৬৯গণঅভ্যুত্থান
আসাদ ও অধ্যাপক শামসুজ্জোহা নিহত হন। জনরোষে মামলা প্রত্যাহার হয়, মুজিব মুক্তি পান ও ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি পান। আইয়ুব পদত্যাগ করলে ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করেন।
১৯৭০ভোলার ঘূর্ণিঝড়
নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ে সম্ভবত তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। কেন্দ্রীয় সরকারের ধীর ত্রাণ তৎপরতা বাঙালির ক্ষোভকে চরমে পৌঁছে দেয়।
সফলতাগণআন্দোলনে স্বৈরশাসকের পতন; জাতীয় নেতৃত্বের উত্থান।
ব্যর্থতাপ্রাকৃতিক দুর্যোগে রাষ্ট্রের ব্যর্থ সাড়া; দমননীতিতে বহু প্রাণহানি।
অধ্যায় ৪ · ১৯৭০–১৯৭১
নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধ
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ের পরও ক্ষমতা হস্তান্তর হয়নি; শুরু হয় ন’মাসের মুক্তিযুদ্ধ।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ — বিজয়
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: বাংলাদেশের পতাকা ও বিজয়
১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ৩১৩টির মধ্যে ১৬৭টি আসন পায়, অর্থাৎ সরকার গঠনের অধিকার অর্জন করে। কিন্তু জুলফিকার আলী ভুট্টো ও সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়; আলোচনা ভেঙে পড়ে। ২৫ মার্চের রাতে ঢাকায় সামরিক অভিযান শুরু হলে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হয়। বেসামরিক জনগণ, ছাত্র, কৃষক, ইপিআর ও বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যরা মিলে মুক্তিবাহিনী গড়ে তোলেন; সীমান্তের ওপারে ভারতে প্রায় এক কোটি শরণার্থী আশ্রয় নেন। রাজাকার, আলবদর ও আলশামস সহযোগী বাহিনী হিসেবে গণহত্যায় যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রধান চরিত্র: শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী, এ এইচ এম কামারুজ্জামান, জেনারেল এম এ জি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, ইয়াহিয়া খান, জেনারেল নিয়াজী।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
ডিসেম্বর ১৯৭০ঐতিহাসিক নির্বাচন
পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬০টি জেতে।
৭ মার্চ ১৯৭১রেসকোর্সের ভাষণ
বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এটি ২০১৭ সালে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় স্থান পায়।
২৫–২৬ মার্চঅপারেশন সার্চলাইট
২৫ মার্চ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগে হামলা চলে। গ্রেপ্তারের আগে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারিত হয়; ২৭ মার্চ মেজর জিয়া চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার থেকে ঘোষণা পাঠ করেন।
১৭ এপ্রিলমুজিবনগর সরকার
কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় অস্থায়ী সরকার শপথ নেয়। সীমান্ত অঞ্চলে ১১টি সেক্টর ও নৌ-কমান্ডো গঠিত হয়; গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধ চলে সারা দেশে।
১৪ ডিসেম্বরবুদ্ধিজীবী হত্যা
পরাজয় নিশ্চিত জেনে সহযোগী বাহিনী শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসকসহ বহু বুদ্ধিজীবীকে অপহরণ ও হত্যা করে। দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
১৬ ডিসেম্বরবিজয় দিবস
ঢাকার রেসকোর্সে পাকিস্তান বাহিনীর প্রায় ৯৩ হাজার সদস্য ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। শহীদের সংখ্যা সরকারিভাবে ৩০ লক্ষ বলা হয়; গবেষকদের মধ্যে ভিন্ন অনুমান আছে।
সফলতাজাতীয় ঐক্যে স্বাধীনতা অর্জন; আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়।
ব্যর্থতাক্ষমতা হস্তান্তরে সামরিক শাসকদের ব্যর্থতা; অপরিমেয় মানবিক ক্ষয়ক্ষতি; গণহত্যা ও নারী নির্যাতন।
অধ্যায় ৫ · ১৯৭২–১৯৭৫
নবগঠিত রাষ্ট্র ও মুজিব শাসন
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে নামে নতুন সরকার; কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়ে।
সংবিধান১৯৭২জাতীয়তাবাদ • সমাজতন্ত্র • গণতন্ত্র • ধর্মনিরপেক্ষতা
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: সংবিধান
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ দেশে ফেরেন এবং প্রধানমন্ত্রী হন। ভারতীয় সেনা মার্চে ফিরে যায়। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প, ভূমি ও শিক্ষা সংস্কার, শরণার্থী পুনর্বাসন ও সংবিধান প্রণয়নে বড় কাজ হয়। কিন্তু যুদ্ধের ধ্বংস, বিশ্ববাজারে তেলের দাম, বন্যা ও চোরাচালানে অর্থনীতি টলে যায়। রক্ষীবাহিনী ও জাসদ-ঘনিষ্ঠ বিদ্রোহের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতাও বাড়তে থাকে।
প্রধান চরিত্র: শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, খন্দকার মোশতাক আহমদ, জিয়াউর রহমান।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৭২সংবিধান
৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত (কার্যকর ১৬ ডিসেম্বর)। মূলনীতি: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
১৯৭৪জাতিসংঘ ও দুর্ভিক্ষ
সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়া যায়। একই বছর ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে বহু মানুষ মারা যান; বন্যা, খাদ্য সংকট ও অব্যবস্থাপনা দায়ী ধরা হয়।
১৯৭৫বাকশাল ও ১৫ আগস্ট
জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধন করে একদলীয় ‘বাকশাল’ ব্যবস্থা চালু হয়, বিরোধী দল ও অধিকাংশ সংবাদপত্র বন্ধ হয়। ১৫ আগস্ট একদল সেনা কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করে; খন্দকার মোশতাক ক্ষমতা নেন।
নভেম্বর ১৯৭৫জেলহত্যা ও ৭ নভেম্বর
৩ নভেম্বর কারাগারে চার জাতীয় নেতা নিহত হন। ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রে আসেন।
সফলতাসংবিধান প্রণয়ন; জাতিসংঘ সদস্যপদ; শরণার্থী ও যুদ্ধাহতদের পুনর্বাসন উদ্যোগ।
ব্যর্থতাদুর্ভিক্ষ; দুর্নীতি ও দলীয় প্রভাবের অভিযোগ; ভিন্নমত দমন; বাকশালে গণতান্ত্রিক কাঠামোর সংকোচন।
অধ্যায় ৬ · ১৯৭৫–১৯৮১
সামরিক-সিভিল রূপান্তর
জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট হয়ে বহুদলীয় রাজনীতি ও ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ প্রবর্তন করেন।
খাল খনন ও রপ্তানিমুখী অর্থনীতি
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: ধানক্ষেত ও খাল
১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত বিচারপতি সায়েম ও পরে জিয়া সামরিক আইনের অধীনে দেশ চালান। জিয়া ধর্মনিরপেক্ষতার জায়গায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা’ সংবিধানে যুক্ত করেন, সমাজতন্ত্রকে ‘অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার’ দিয়ে প্রতিস্থাপন করেন এবং রপ্তানিমুখী ও বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দেন। গ্রামীণ উন্নয়ন, খাল খনন ও পররাষ্ট্রনীতিতে মুসলিম বিশ্ব ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হয়। একই সময়ে একাধিক সামরিক অভ্যুত্থান-চেষ্টায় বহু সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিক প্রাণ হারান।
প্রধান চরিত্র: জিয়াউর রহমান, আবদুস সাত্তার, বিচারপতি আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, খালেদ মোশাররফ।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৭৭গণভোট
জিয়া গণভোটে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
১৯৭৮–৭৯বিএনপি ও সংসদ নির্বাচন
জিয়া বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন; ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনের পর সামরিক আইন তুলে নেওয়া হয়।
১৯৮১জিয়া হত্যা
৩০ মে চট্টগ্রামে সেনা অভ্যুত্থানে জিয়া নিহত হন। উপ-রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার ভারপ্রাপ্ত ও পরে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হন।
সফলতারপ্তানিমুখী অর্থনীতির সূচনা; বহুদলীয় ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন; গ্রামভিত্তিক কর্মসূচি।
ব্যর্থতাঅভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানে সামরিক বিচার ও প্রাণহানি; সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক প্রভাব স্থায়ী হওয়া।
অধ্যায় ৭ · ১৯৮২–১৯৯০
এরশাদ ও গণতন্ত্রের আন্দোলন
১৯৮২ সালে এরশাদ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ক্ষমতা নেন; প্রায় নয় বছর পর গণআন্দোলনে তাঁর পতন হয়।
গণতন্ত্র মুক্তি পাক
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: গণতন্ত্রের মিছিল
লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক আইন জারি করে ১৯৮৬ সালে বেসামরিক পোশাকে ‘নির্বাচিত’ প্রেসিডেন্ট হন। জাতীয় পার্টি গঠন, উপজেলা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ তাঁর উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। অন্যদিকে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট একসঙ্গে আন্দোলনে নামে। ছাত্র সংগঠনগুলোর ঐক্য ১৯৯০ সালে চূড়ান্ত গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
প্রধান চরিত্র: এরশাদ, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, ছাত্রনেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য, নূর হোসেন, ডা. শামসুল আলম খান মিলন, বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৮২সামরিক শাসন
২৪ মার্চ এরশাদ সংবিধান স্থগিত করে সামরিক আইন জারি করেন।
১৯৮৩–৮৭যুগপৎ আন্দোলন
১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র মিছিলে গুলিতে জয়নাল-জাফর-দীপালীসহ অনেকে নিহত। ১৯৮৪ সালে ডা. মিলন এবং ১০ নভেম্বর ১৯৮৭ সালে নূর হোসেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে বুকে-পিঠে শহীদ হন।
১৯৮৮অষ্টম সংশোধনী
ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয় এবং হাইকোর্টের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৬ ডিসেম্বর ১৯৯০এরশাদের পদত্যাগ
গণঅভ্যুত্থানের মুখে এরশাদ পদত্যাগ করেন; শাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
সফলতাউপজেলা ব্যবস্থা; সড়ক-অবকাঠামো সম্প্রসারণ; গণতন্ত্রের জন্য সব দলের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন।
ব্যর্থতানির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ; নয় বছরের স্বৈরশাসন; দুর্নীতি; ভিন্নমত দমন।
অধ্যায় ৮ · ১৯৯১–২০০৬
সংসদীয় গণতন্ত্রের যুগ
১৯৯১ থেকে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা পালাক্রমে ক্ষমতায়; সংসদীয় ব্যবস্থা ফিরলেও সংঘাতের রাজনীতি তীব্র হয়।
ভোটসংসদীয় গণতন্ত্রের যুগ
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: ভোটাধিকার
১৯৯১ সালের নির্বাচন সর্বজনস্বীকৃতভাবে অবাধ ছিল। এরপর সংসদীয় ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরলেও নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে দুই দলের বিরোধ বাড়ে। বিএনপি ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একতরফা নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রবল আন্দোলন হয়, ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয়। এই সময়ে গার্মেন্টস শিল্প, এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ, নারীশিক্ষা ও মোবাইল ফোন খাতে উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটে। কিন্তু হরতাল, সংসদ বর্জন ও রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়।
প্রধান চরিত্র: খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, বিচারপতি হাবিবুর রহমান, মতিউর রহমান নিজামী (জামায়াত), ড. মুহাম্মদ ইউনূস (গ্রামীণ ব্যাংক)।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
১৯৯১খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি জয়ী হয়; দ্বাদশ সংশোধনীতে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। খালেদা জিয়া প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
১৯৯৬তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা
ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত ভোটের পর সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত হয়। জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হন।
১৯৯৬–৯৭গঙ্গা চুক্তি ও শান্তিচুক্তি
১৯৯৬-র ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি এবং ১৯৯৭-র ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২০০১–০৬চারদলীয় জোট সরকার
বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় বহু মানুষ নিহত হন। ২০০৫ সালে সারা দেশে প্রায় একযোগে বোমা বিস্ফোরণের পর জঙ্গিবাদ দমনে অভিযান চলে।
সফলতানারী-শিক্ষা ও গার্মেন্টস খাতের বিকাশ; এনজিও-ক্ষুদ্রঋণের প্রসার; পার্বত্য শান্তিচুক্তি।
ব্যর্থতাহরতাল-অবরোধ; দলীয়করণ; দুর্নীতি; সংসদ বর্জন; জঙ্গিবাদের উত্থান।
অধ্যায় ৯ · ২০০৬–২০২৩
সংকট, জরুরি অবস্থা ও দীর্ঘ শাসন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংকট জরুরি অবস্থায় গড়ায়; ২০০৯ থেকে আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায় থাকে।
পদ্মা সেতু
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: পদ্মা সেতু
২০০৬ সালের শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। ২০০৭-এর ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি হলে সেনা-সমর্থিত সরকার দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালায় এবং শীর্ষ রাজনীতিকরা গ্রেপ্তার হন। ২০০৮-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে ২০০৯ থেকে ক্ষমতায় থাকে। এই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে, দারিদ্র্য কমে এবং বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। অন্যদিকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া, গুম-খুন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে দেশি-বিদেশি সমালোচনা তীব্র হয়।
প্রধান চরিত্র: শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, ফখরুদ্দীন আহমদ, জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আবদুল হামিদ (রাষ্ট্রপতি)।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
২০০৭–০৮জরুরি অবস্থা ও নির্বাচন
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-নেতৃত্বাধীন মহাজোট ভূমিধস জয় পায়।
২০০৯পিলখানা বিদ্রোহ
২৫–২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটে।
২০১০–১৩যুদ্ধাপরাধের বিচার ও শাহবাগ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১-এর যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়। ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনে চূড়ান্ত দণ্ডের দাবি ওঠে; একই বছর ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে ১,১০০-র বেশি পোশাকশ্রমিক নিহত হন।
২০১১–১৪তত্ত্বাবধায়ক বাতিল
পঞ্চদশ সংশোধনীতে ব্যবস্থাটি বাতিল হয়। ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রধান বিরোধী দল বর্জন করে।
২০১৬–১৮হলি আর্টিজান ও রোহিঙ্গা সংকট
২০১৬-র হামলার পর জঙ্গি দমনে কঠোর অভিযান চলে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সহিংসতায় ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়। ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং বিতর্কিত ডিসেম্বর নির্বাচন।
২০২২–২৩মেগা প্রকল্প ও অর্থনৈতিক চাপ
পদ্মা সেতু ও ঢাকা মেট্রোরেল চালু হয়। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, ডলার সংকট ও রিজার্ভ হ্রাস অর্থনীতিতে চাপ ফেলে।
সফলতাদারিদ্র্য হ্রাস; মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি; পদ্মা সেতুসহ বড় অবকাঠামো; রপ্তানি ও রেমিট্যান্স সম্প্রসারণ।
ব্যর্থতাবিরোধী দলের ওপর দমন; বিতর্কিত নির্বাচন; বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের অভিযোগ; ব্যাংক খাতে অনিয়ম ও অর্থ পাচার।
অধ্যায় ১০ · ২০২৪–২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও নতুন অধ্যায়
কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়; দমন-পীড়নে বহু প্রাণহানি ঘটে।
জুলাই ২০২৪
চিত্র: প্রতীকী চিত্রাঙ্কন: তরুণদের গণঅভ্যুত্থান
২০২৪ সালের জুনে হাইকোর্ট মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল করলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন সারা দেশে ছড়ায়, ইন্টারনেট বন্ধ ও কারফিউ জারি হয়। শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে ৩৬ দিনের মাথায় সরকারের পতন ঘটে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের হিসাবে এই সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হন বলে অনুমান করা হয়; অন্যান্য সূত্রে ভিন্ন সংখ্যা রয়েছে।
প্রধান চরিত্র: শেখ হাসিনা, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, আবু সাঈদ, ছাত্র সমন্বয়কবৃন্দ, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান।
ঘটনাপঞ্জি (ক্লিক করে পড়ুন)
জুলাই ২০২৪কোটা আন্দোলন
শিক্ষার্থীদের ‘কোটা সংস্কার’ আন্দোলন সংঘর্ষ, কারফিউ ও নির্বিচার সহিংসতার মধ্য দিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
৫ আগস্ট ২০২৪সরকারের পতন
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান; এর পর দেশজুড়ে থানা, স্থাপনা ও নানা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর হয়।
৮ আগস্ট ২০২৪অন্তর্বর্তী সরকার
ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। সংবিধান, নির্বাচন, বিচার, প্রশাসন ইত্যাদি খাতে সংস্কার কমিশন গঠিত হয়; পরে ‘জুলাই সনদ’ তৈরি হয়।
২০২৫বিচার ও রাজনৈতিক পরিবর্তন
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া মারা যান।
ফেব্রুয়ারি ২০২৬জাতীয় নির্বাচন
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়; বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন।
সফলতাতরুণদের নেতৃত্বে স্বৈরশাসনের অবসান; সংস্কার ও নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হওয়া।
ব্যর্থতাব্যাপক প্রাণহানি; আইনশৃঙ্খলা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ; প্রতিহিংসার রাজনীতির আশঙ্কা।
হতাহতের সংখ্যাসহ কিছু বিষয়ে উৎসভেদে মতপার্থক্য আছে; সাম্প্রতিক ঘটনা এখনও বিকাশমান।

2

👁️ এই পোস্টটি দেখা হয়েছে 89 বার
শেয়ার করুন:FacebookWhatsAppEmailLinkedInRedditX
☆☆☆☆☆ 0 / ৫ (0 টি রিভিউ)
★★★★★

এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

DocsInHand TM

ওয়েব ও ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার, লেখক।

মন্তব্য করুন

স্পনসর্ড পোস্ট