📣 এই জায়গায় আপনার বিজ্ঞাপন দিন — মূল্য তালিকা দেখুন

বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র অনলাইনে তৈরি করুন — ফর্ম পূরণ করুন, প্রিন্ট নিন

পড়তে ১৯ মিনিট

🏠 বাসা/ফ্ল্যাট ভাড়ার চুক্তিপত্র অনলাইনে তৈরি করুন — ফর্ম পূরণ করুন, প্রিন্ট নিন

বাংলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত বাসা-ফ্ল্যাট ভাড়ার এ্যাগ্রিমেন্ট মেকার। বয়ান, শর্ত, বিল, পার্কিং, জামানত, বিরোধ নিষ্পত্তি ও স্বাক্ষর পর্যন্ত সবকিছু ক্লিকে বেছে নিন — কয়েক মিনিটেই প্রিন্টযোগ্য চুক্তিনামা দলিল তৈরি।

✔ সম্পূর্ণ বাংলা ✔ অংক ও কথায় টাকা অটো ✔ শর্ত বেছে নিন, সিরিয়াল অটো ✔ তথ্য নিজে থেকে সেভ ✔ ফ্রি ও পেইড ভার্সন

১ বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র কী এবং কেন দরকার

বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়ার চুক্তিপত্র (ভাড়ার চুক্তিনামা দলিল) হলো বাড়িওয়ালা (প্রথম পক্ষ) এবং ভাড়াটিয়ার (দ্বিতীয় পক্ষ) মধ্যে লিখিত সম্মতিপত্র, যেখানে ভাড়ার পরিমাণ, জামানত, মেয়াদ, বিল পরিশোধের নিয়ম, বাসা ছাড়ার শর্ত ও বিরোধ হলে কীভাবে মীমাংসা হবে — সবকিছু পরিষ্কারভাবে লেখা থাকে।

মুখের কথায় হওয়া ভাড়া অনেক সময় পরে বিতর্কের কারণ হয়। লিখিত চুক্তিপত্র থাকলে—

  • ভাড়া ও জামানতের অংক নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি থাকে না।
  • মেয়াদ কতদিন এবং আগে বাসা ছাড়তে হলে কী নিয়ম, তা আগে থেকেই ঠিক থাকে।
  • বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও সার্ভিস চার্জ কে কীভাবে দেবেন, তা স্পষ্ট থাকে।
  • বাসার ক্ষতি, সাবলেট বা অন্য কারও থাকার মতো বিষয়ে দায়ভার নির্ধারিত থাকে।
  • দুই পক্ষই নিরাপদ বোধ করেন, কারণ প্রমাণযোগ্য দলিল দুজনের হাতেই থাকে।
💡 সহজ কথায় ভালো চুক্তিপত্র মানে ভবিষ্যতের ঝামেলা আজই মিটিয়ে রাখা। আর DocsInHand-এর মেকার সেই কাজটা সহজ, দ্রুত ও ভুলহীন করে।

২ DocsInHand-এর বাসা-ফ্ল্যাট ভাড়ার এ্যাগ্রিমেন্ট মেকার

এটি একটি অনলাইন ফর্ম-ভিত্তিক টুল। আপনি ফর্মের ঘরগুলো পূরণ করবেন, অপশনগুলো ক্লিক করে বেছে নেবেন — তারপর “ডিড প্রিন্ট করুন” বাটনে চাপলেই আপনার তথ্য অনুযায়ী সাজানো পূর্ণাঙ্গ চুক্তিনামা দলিল খুলবে, যা সরাসরি প্রিন্ট বা PDF করা যায়।

প্রধান বৈশিষ্ট্য

🎯 ক্লিক করে নির্বাচন

বয়ান, টাইটেল, বিল, পার্কিং, স্ট্যাম্প, অঙ্গীকার — সবই কার্ডের মতো ক্লিক করে বেছে নেওয়া যায়। লেখালেখি কম।

🔢 অংকে লিখুন, কথায় অটো

মাসিক ভাড়া ও জামানত অংকে লিখলেই পাশের ঘরে বাংলা কথায় (যেমন “পঞ্চাশ হাজার”) নিজে থেকে চলে আসে। দলিলেও দুটিই ছাপা হয়।

✅ যে শর্ত চান শুধু সেটিই

শর্ত ৬ থেকে ১২ আপনি টিক দিয়ে রাখতে বা বাদ দিতে পারেন। বাদ দিলেও দলিলে বাকি শর্তের নম্বর পরপর ঠিক থাকে।

➕ নিজের শর্ত যোগ

অতিরিক্ত শর্তের ঘরে প্রতি লাইনে একটি শর্ত লিখুন। নম্বর দেওয়া লাগবে না — দলিলে সিরিয়াল নিজে থেকে বসে।

💾 তথ্য নিজে থেকে সেভ

আপনি যা লিখছেন তা আপনার ব্রাউজারে সেভ হতে থাকে। ভুলে পেজ বন্ধ হলেও আবার খুললে তথ্য ফিরে আসে।

📸 ছবি ও ডকুমেন্ট তালিকা

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার ছবি দলিলের শুরুতেই বসে, আর সংযুক্ত কাগজপত্রের তালিকা শেষে যুক্ত হয়।

🖨️ প্রিন্ট ও সংশোধন

দলিল দেখার পর ভুল পেলে “Make Correction” চেপে ফিরে গিয়ে ঠিক করে আবার প্রিন্ট দিতে পারেন।

📱 মোবাইলেও চলে

ফোন, ট্যাব বা কম্পিউটার — যেকোনো ডিভাইসে ফর্মটি ব্যবহার করা যায়।

৩ ফর্মের সম্পূর্ণ বর্ণনা — ধাপে ধাপে প্রতিটি ঘর

ফর্মটি কয়েকটি ধাপে সাজানো। কোন ধাপে কী লিখবেন বা বাছবেন, নিচে পরিষ্কারভাবে দেওয়া হলো।

ℹ️ ঘর পূরণের সাধারণ নিয়ম ফর্মের প্রায় সব ঘরই আবশ্যক। যে তথ্য প্রযোজ্য নয়, সেই ঘরে হাইফেন (-) দিন। এক ঘরের বর্ণনার সাথে মিল রেখে অন্য ঘর পূরণ করুন।

ষ্টেপ-১ : চুক্তিপত্রের প্রাথমিক তথ্য

  • চুক্তিনামা শুরুর বয়ান: তিনটি বয়ানের একটি বেছে নিন — (ক) দীর্ঘ বয়ান, যেখানে বাড়িওয়ালার মালিকানা ও ভাড়া প্রদানের প্রেক্ষাপট বিস্তারিত আছে; (খ) সংক্ষিপ্ত বয়ান “আল্লাহ্ তায়ালার নাম স্মরণ করে আরম্ভ”; (গ) ধর্মনিরপেক্ষ বয়ান “মহান সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করে”।
  • চুক্তিপত্রের টাইটেল: ফ্ল্যাট/এ্যাপার্টমেন্ট, বাসা, মেস, সেমি পাকা বাসা অথবা সিঙ্গেল রুম — আপনার ভাড়ার ধরন অনুযায়ী দলিলের শিরোনাম বেছে নিন।
  • যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: উপরের টাইটেলের সাথে মিল রেখে নির্বাচন করুন। দলিলের ভেতরের বাক্যে (যেমন “উক্ত ফ্ল্যাট/এ্যাপার্টমেন্টের…”) এই শব্দটিই বসবে।
  • সহি সম্পাদনের তারিখ: যেদিন চুক্তিতে স্বাক্ষর হবে, যেমন “১ জানুয়ারী, ২০২৭ইং”।

ষ্টেপ-২ : প্রথম পক্ষ / বাড়িওয়ালার পরিচিতি

  • বাড়িওয়ালার নাম।
  • আইনী অভিভাবক: পিতা অথবা স্বামী — এবং সেই ব্যক্তির নাম।
  • বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার ও ই-মেইল আইডি।

ষ্টেপ-৩ : দ্বিতীয় পক্ষ / ভাড়াটিয়া

  • ভাড়াটিয়ার নাম, আইনী অভিভাবক (পিতা/স্বামী) ও তাঁর নাম।
  • বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা (গ্রাম, পোষ্ট, থানা, জেলাসহ)।
  • পরিচিতির জন্য একটি বেছে নিন: পাসপোর্ট অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র — এবং তার নাম্বার।
  • মোবাইল নাম্বার ও ই-মেইল আইডি।

ষ্টেপ-৪ : ভাড়া দেওয়া বাসার বিবরণ

  • এ্যাপার্টমেন্ট/মেস/বাসার নাম (যেমন “আলোছায়া এ্যাপার্টমেন্ট”)।
  • অবস্থান বা পূর্ণ ঠিকানা।
  • যে ফ্ল্যাট/রুম/সীট ভাড়া হবে — যেমন “ফ্ল্যাট-২এ”, “রুম নং-১২”, “সীট নং-১৪”।

ষ্টেপ-৫ : শর্ত ১ ও ২ — ভাড়া, জামানত, মেয়াদ ও পরিশোধের সময়

  • মাসিক ভাড়া (অংকে) লিখলে কথায় ঘরটি নিজে থেকে পূরণ হবে। বাংলা বা ইংরেজি, দুই রকম অংকই চলে।
  • এ্যাডভান্স/জামানত (অংকে) লিখলে একইভাবে কথায় আসবে। কথার ঘরটি প্রয়োজনে হাতে ঠিক করা যায়।
  • চুক্তির মেয়াদ (যেমন “০১ বছর”), শুরুর তারিখ ও সমাপ্তির তারিখ।
  • ভাড়া পরিশোধের সময়: চলতি মাসের ১–৫ তারিখ, পরের মাসের ১–৫ তারিখ, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ অথবা পরের মাসের প্রথম সপ্তাহ।

ষ্টেপ-৬ : শর্ত ৩ — অন্যান্য বিল

⚡ ইলেকট্রিক বিল

পোষ্ট পেইড (মিটার অনুযায়ী) • প্রি-পেইড (রিচার্জেবল) • ভাড়ার সাথে অন্তর্ভুক্ত • সাব-মিটার অনুযায়ী • কোনো বিল নেই • শেয়ারিং বিল (সকলের সমন্বয়ে)।

💧 পানির বিল

সরকার কর্তৃক প্রদেয় (মিটার) • উভয়ের সমঝোতায় নির্ধারিত ফিক্সড • বিল্ডিং এসোসিয়েশনের নির্ধারিত • নো ইউজ নো পে • নির্ধারিত বিল নেই • ভাড়ার সাথে অন্তর্ভুক্ত।

🔥 গ্যাস বিল

সরকার কর্তৃক প্রদেয় • সিলিন্ডার (প্রথমটি ১ম পক্ষ, রিফিল ২য় পক্ষ) • সিলিন্ডার (নিজে কিনে) • ম্যানুয়াল রিজার্ভ গ্যাস ব্যাংক (নো ইউজ, নো পে) • কোনো বিল নেই • ভাড়ার সাথে অন্তর্ভুক্ত।

🧹 সার্ভিস চার্জ

নিজে লিখুন: নির্দিষ্ট টাকা, “নাই” অথবা “যা মাসিক ভাড়ার সাথে অন্তর্ভুক্ত”।

ষ্টেপ-৭ : পার্কিং / গেরেজ

চারটি অপশন: পার্কিং ভাড়ার অন্তর্ভুক্ত, পার্কিং নাই, মাসিক ভাড়া, অথবা দৈনিক ভাড়া। মাসিক বা দৈনিক ভাড়া বেছে নিলে (বা নিচের টিকবক্সে মার্ক করলে) টাকার পরিমাণ লেখার ঘর খুলে যাবে। পার্কিং না থাকলে এই ধাপ বাদ দিয়ে সরাসরি পরের ধাপে যান।

ষ্টেপ-৮ : শর্ত ৪ থেকে ১২

  • শর্ত ৪ — বাসা ছাড়ার সময়: ভাড়াটিয়া ৫, ৬ অথবা ১২ মাসের আগে বাসা ছাড়তে পারবেন না। এরপর কোনো পক্ষ ছাড়তে চাইলে ২ মাসের নোটিশে সব বকেয়া মিটিয়ে ছাড়তে পারবেন।
  • শর্ত ৫ — বকেয়া ভাড়া: পর পর ২, ৩ অথবা ৪ মাসের ভাড়া বাকি রাখা যাবে না। বকেয়া জামানতের অর্ধেক হলে মালিক অন্যত্র ভাড়া দিতে পারবেন।
  • শর্ত ৬ — সাবলেট ও অবৈধ কাজ নিষেধ: পরিবারের নির্ধারিত সদস্য ছাড়া অন্য কেউ থাকা, সাবলেট, অফিস বা নেমপ্লেট, অবৈধ বা বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা নিষেধ।
  • শর্ত ৭ — জামানত ফেরত: মেয়াদ শেষে প্রথম পক্ষ জামানত ফেরত দিতে বাধ্য থাকবেন।
  • শর্ত ৮ — পরিবর্তন নিষেধ: মালিকের অনুমতি ছাড়া ভাড়াটিয়া বাসার কাঠামো বদলাতে বা দেয়াল, কলাম, বীমে ড্রিল করতে পারবেন না।
  • শর্ত ৯ — ক্ষতি মেরামত: ক্ষতি হলে ভাড়াটিয়া নিজ খরচে মেরামত করবেন, নইলে মালিক জামানত থেকে কেটে মেরামত করবেন।
  • শর্ত ১০ — মেয়াদ শেষে নবায়ন: আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া ও জামানত বৃদ্ধি এবং মেয়াদ পুনঃনির্ধারণ করা যাবে, অথবা চুক্তি বাতিল করা যাবে।
  • শর্ত ১১ — নিরাপত্তা ও কাগজপত্র: পরিবারের সবার ছবি, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট, জন্ম নিবন্ধন (স্বামী-স্ত্রী হলে কাবিননামার কপি) জমা এবং থানার ভাড়াটিয়া ফরম পূরণ।
  • শর্ত ১২ — ফিটিংস: কল, শাওয়ার, কমোড, বেসিন, ডোর লক, ফ্যান কভার ইত্যাদি নষ্ট হলে ভাড়াটিয়া নিজ খরচে ঠিক করবেন বা মালিক ঠিক করে দিলে বিলসহ ফিটিং চার্জ দেবেন।
💡 শর্ত বাছাইয়ের সুবিধা শর্ত ৬ থেকে ১২ ফর্মে টিক দিয়ে নির্বাচন করতে হয়। যেটি চান না সেটিতে টিক দেবেন না — দলিলে সেটি আসবে না, আর বাকি শর্তগুলো ০১, ০২, ০৩… করে পরপর সাজানো থাকবে।

অতিরিক্ত শর্ত যোগ করুন

আরও শর্ত লাগলে নির্ধারিত ঘরে (সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর) প্রতি লাইনে একটি করে লিখুন, যেমন গেট বন্ধের সময়, রাতের অতিথি, উচ্চস্বরে গান-বাজনা সংক্রান্ত নিয়ম। নম্বর না দিলেও চলবে, দলিলে ক্রমিক নম্বর নিজে বসবে।

বিরোধ নিষ্পত্তি ও হলফনামা

ভবিষ্যতে সমস্যা হলে সালিশ করার জন্য একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তির নাম, স্থায়ী ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার দিন (এলাকার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বা কল্যাণ সমিতিও হতে পারে)। এরপর হলফনামার টিকবক্সে মার্ক করুন, যার মাধ্যমে দুই পক্ষ তৃতীয় পক্ষের সমাধান মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

স্ট্যাম্প নির্বাচন

দলিল কয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রিন্ট হবে তা বেছে নিন:

  • ১০০ + ১০০ + ১০০ + ১০০ টাকার চারটি স্ট্যাম্প,
  • ১০০ + ১০০ + ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প, অথবা
  • ২০০ + ১০০ টাকার দুইটি স্ট্যাম্প।

প্রতিটি অপশনেই স্বাক্ষী ৩ জন উল্লেখ থাকে।

অঙ্গীকার

তিনটি অঙ্গীকার-বাক্যের একটি বেছে নিন। এগুলোতে লেখা থাকে যে দুই পক্ষ স্বেচ্ছায়, বুঝেশুনে, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে চুক্তির শর্ত মেনে স্বাক্ষর করছেন। একটি সংক্ষিপ্ত, দুটি বিস্তারিত বাক্য।

চূড়ান্ত তথ্য ও ডকুমেন্ট

  • কম্পোজ/মুসাবিদাকারক: যিনি দলিলটি তৈরি করছেন তাঁর নাম।
  • ছবি আপলোড: বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার একটি করে ছবি (JPG, PNG বা GIF; ফর্মে নির্দেশিত ন্যূনতম ২০KB)। দলিলের উপরে নিজ নিজ পরিচিতির পাশে ছবি বসবে।
  • সংযুক্ত ডকুমেন্টস: ছবি, ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি, পাসপোর্টের কপি, ভাড়াটিয়া নিবন্ধন ফর্ম, কাবিননামা, ট্রেড লাইসেন্সের কপি — যেগুলো সংযুক্ত করছেন সেগুলোতে টিক দিন।

৪ চুক্তিপত্র তৈরির নিয়ম ও ব্যবহার নির্দেশিকা

টুলটি কোথায় পাবেন

DocsInHand-এর Letter Hub পেজে সব ডকুমেন্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজানো আছে। বাসা ভাড়ার টুলটি খুঁজে পেতে ছবির মতো করে এগোন:

DocsInHand Letter Hub পেজে Rental Deed ক্যাটাগরি, বাংলা ট্যাব ও বাসা ভাড়ার ডিডের তালিকা
📍 Letter Hub → Rental Deed → বাংলা ট্যাব → ১ নম্বর “বাসা ভাড়ার ডিড” তালিকায় ক্লিক করুন।
  1. Letter Hub পেজ খুলুন।
  2. ক্যাটাগরির কার্ড থেকে Rental Deed কার্ডে ক্লিক করুন। কার্ডের নিচে ভাড়া সংক্রান্ত ডকুমেন্টের তালিকা খুলবে।
  3. তালিকার উপরে ভাষার ট্যাব আছে: বাংলা, English ও عربي। বাংলায় দলিল বানাতে বাংলা ট্যাবে থাকুন।
  4. তালিকার ১ নম্বরে থাকা “বাসা ভাড়ার ডিড — বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়ার সুসম্পর্কের নথি তৈরি” আইটেমে ক্লিক করুন (ডানের তীর বাটনেও ক্লিক করা যায়)। ফর্ম খুলে যাবে।
ℹ️ একই ক্যাটাগরিতে আরও যা আছে Rental Deed তালিকায় অফিস ভাড়ার চুক্তিপত্র, দোকান ভাড়ার ডিড, ওয়্যারহাউস ভাড়ার চুক্তিপত্র ও Car parking agreement-ও পাবেন। বাসা বা ফ্ল্যাটের জন্য ১ নম্বরটিই ব্যবহার করুন।

চুক্তিপত্র বানানোর ধাপ

প্রথমবার ব্যবহার করলেও কয়েক মিনিটেই কাজ শেষ। এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. আগে তথ্য গুছিয়ে নিন। দুই পক্ষের পূর্ণ নাম, পিতা/স্বামীর নাম, ঠিকানা, মোবাইল, NID বা পাসপোর্ট নাম্বার, ভাড়া ও জামানতের অংক, মেয়াদের তারিখ — সব হাতের কাছে রাখুন।
  2. ফর্ম খুলুন এবং ষ্টেপ-১ থেকে বয়ান, টাইটেল ও তারিখ ঠিক করুন।
  3. দুই পক্ষের পরিচিতি দিন। নামের বানান NID বা পাসপোর্টের সাথে হুবহু মিলিয়ে লিখুন।
  4. বাসার বিবরণ লিখুন — নাম, ঠিকানা, ফ্ল্যাট বা রুম নম্বর।
  5. ভাড়া ও জামানত অংকে লিখুন। কথার ঘর নিজে পূরণ হলে একবার মিলিয়ে দেখুন।
  6. বিল ও পার্কিংয়ের অপশন বেছে নিন।
  7. শর্ত ৪ থেকে ১২ থেকে প্রয়োজনীয়গুলোয় টিক দিন, দরকার হলে নিজের শর্ত যোগ করুন।
  8. সালিশকারী, স্ট্যাম্প ও অঙ্গীকার নির্বাচন করুন এবং ছবি ও সংযুক্ত কাগজের তালিকা পূরণ করুন।
  9. “🖨️ ডিড প্রিন্ট করুন” চাপুন। নতুন পেজে পুরো দলিল খুলবে।
  10. মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। ভুল থাকলে “Make Correction” বাটনে ফিরে গিয়ে ঠিক করুন। সঠিক হলে “Print this page” চাপুন; প্রিন্টারের বদলে “Save as PDF” নির্বাচন করলে PDF-ও পাবেন।
  11. স্ট্যাম্পে প্রিন্ট ও স্বাক্ষর: প্রয়োজনীয় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করে দুই পক্ষ ও তিনজন স্বাক্ষী স্বাক্ষর করুন। দুই পক্ষের হাতে একটি করে কপি রাখুন।
⚠️ একই কম্পিউটারে একাধিক চুক্তি করলে আপনার লেখা তথ্য ব্রাউজারে সেভ থাকে। নতুন কারও জন্য দলিল বানানোর আগে “✨ নতুন চুক্তিনামা শুরু করুন” বাটনে চেপে আগের তথ্য মুছে নিন। অন্যের কম্পিউটারে কাজ করলে শেষে অবশ্যই এটি করুন, কারণ পরের ব্যক্তি আপনার দেওয়া নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার দেখতে পারে।

এখনই আপনার ভাড়ার চুক্তিনামা তৈরি করুন

ফর্ম পূরণ করুন, প্রিভিউ দেখুন, প্রিন্ট নিন — সবকিছু এক জায়গায়, সম্পূর্ণ বাংলায়।

৫ বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার জন্য আলাদা নির্দেশনা

🏡 বাড়িওয়ালার জন্য

• ভাড়াটিয়ার NID/পাসপোর্টের কপি ও ছবি সংগ্রহ করুন এবং মূল কাগজের সাথে মিলিয়ে নিন।
• ভাড়া ও জামানত গ্রহণের প্রতিটি লেনদেনে স্বাক্ষরযুক্ত রসিদ দিন।
• জামানত ফেরতের শর্ত ও সময় আগে থেকে পরিষ্কার রাখুন।
• বাসার বর্তমান অবস্থা (দেয়াল, ফিটিংস, লাইট) ছবি তুলে রাখুন।
• সাবলেট, ব্যবসা ও অতিথি সংক্রান্ত নিয়ম চুক্তিতে লিখে দিন।

👨‍👩‍👧 ভাড়াটিয়ার জন্য

• বাড়িওয়ালা আসলেই মালিক কি না, দলিল বা নামজারির কাগজ দেখে নিশ্চিত হোন।
• ভাড়া ও জামানতের প্রতিটি টাকার রসিদ নিন, সম্ভব হলে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠান।
• বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও সার্ভিস চার্জ কীভাবে হিসাব হবে তা আগেই জেনে নিন।
• ঢোকার সময় বাসার অবস্থা ও ফিটিংস মালিকের সাথে দেখে নিন।
• স্বাক্ষরের আগে পুরো দলিল নিজে পড়ুন।

💡 দুই পক্ষের জন্যই কাজের পরামর্শ বাসার মিটার রিডিং (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি) ঢোকার দিন লিখে দুজনেই রেখে দিন। পরে বিল নিয়ে তর্ক এড়ানো যায়।

৬ চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করার আগে চেকলিস্ট

স্বাক্ষরের আগে এই তালিকা ধরে একবার মিলিয়ে নিন:

  • ☑ দুই পক্ষের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, ঠিকানা ও NID/পাসপোর্ট নাম্বার সঠিক আছে।
  • ☑ বাসার নাম, ঠিকানা, ফ্ল্যাট বা রুম নম্বর ঠিক আছে।
  • ☑ মাসিক ভাড়া ও জামানত অংকে ও কথায় মিলেছে।
  • ☑ চুক্তির শুরু ও শেষের তারিখ এবং মেয়াদ ঠিক আছে।
  • ☑ ভাড়া পরিশোধের নির্ধারিত সময় সবার জানা।
  • ☑ বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও সার্ভিস চার্জ পরিষ্কার লেখা আছে।
  • ☑ পার্কিং থাকলে তার ভাড়া উল্লেখ আছে।
  • ☑ বাসা ছাড়ার সময়সীমা ও বকেয়া সংক্রান্ত শর্ত বুঝে নিয়েছেন।
  • ☑ যে অতিরিক্ত শর্ত দিয়েছেন তা দুই পক্ষের সম্মতিতে লেখা।
  • ☑ সালিশকারী ব্যক্তির তথ্য ঠিক আছে।
  • ☑ প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প নেওয়া হয়েছে এবং স্বাক্ষী ৩ জন প্রস্তুত।
  • ☑ ছবি ও সংযুক্ত কাগজপত্রের তালিকা মিলেছে।
  • ☑ প্রতিটি পক্ষের হাতে একটি করে কপি থাকছে।

৭ আইনি তথ্য ও জরুরি সতর্কতা

বাংলাদেশে বাসাভাড়া সংক্রান্ত মূল আইন বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১। সাধারণ তথ্য হিসেবে নিচের বিষয়গুলো জানা থাকলে ভালো:

  • লিখিত চুক্তি: বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে লিখিত চুক্তি থাকাই নিরাপদ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২০২৬ সালের নির্দেশিকাতেও লিখিত চুক্তি ও স্বাক্ষরযুক্ত রসিদের কথা বলা হয়েছে।
  • ভাড়া পরিশোধ ও রসিদ: ভাড়া দিলে স্বাক্ষরযুক্ত রসিদ নেওয়া উচিত। কোন তারিখের মধ্যে ভাড়া দিতে হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্ট লিখে রাখুন।
  • ভাড়া বৃদ্ধি: গণমাধ্যম ও সিটি করপোরেশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণত দুই বছরের আগে ভাড়া বাড়ানো যায় না। চুক্তিতে মেয়াদ শেষে আলোচনা সাপেক্ষে ভাড়া বাড়ানোর শর্ত (শর্ত ১০) এ কারণেই দেওয়া থাকে।
  • বাড়িওয়ালা ভাড়া না নিলে: আইনে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মানি অর্ডারে ভাড়া পাঠানো এবং তাতেও না নিলে ভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদনের নিয়ম আছে। এ ক্ষেত্রে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
  • সাবলেট: বাড়িওয়ালার লিখিত সম্মতি ছাড়া উপ-ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে আইনে নিষেধাজ্ঞা আছে।
  • দীর্ঘ মেয়াদ ও নিবন্ধন: এক বছরের বেশি মেয়াদের ভাড়া চুক্তি নিবন্ধন করতে হতে পারে। এই নিয়ম ও ফি সম্পর্কে স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা আইনজীবীর কাছে নিশ্চিত হোন।
  • ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম: থানা বা পুলিশ প্রশাসন যে ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম চালু রেখেছে, তা পূরণ করে জমা দিন (শর্ত ১১-তেও এর উল্লেখ আছে)।
  • স্ট্যাম্পের মূল্য: প্রয়োজনীয় নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের পরিমাণ সময়ে সময়ে বদলাতে পারে। স্থানীয় ডিড রাইটার বা আইনজীবীর কাছে বর্তমান নিয়ম জেনে নিন।
⚖️ আইনি ঘোষণা: এই লেখা সাধারণ তথ্য হিসেবে দেওয়া, কোনো আইনি পরামর্শ নয়। DocsInHand কোনো আইনজীবী প্রতিষ্ঠান নয়। আইন ও সরকারি নির্দেশিকা বদলাতে পারে। বড় অংকের জামানত, দীর্ঘ মেয়াদ বা জটিল ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আগে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

৮ যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

❌ অংক ও কথায় গরমিল

ভাড়া বা জামানতের অংক ও কথা না মিললে বিতর্ক হয়। অটো-কথা আসার পর একবার মিলিয়ে নিন।

❌ নামের বানান ভুল

NID বা পাসপোর্টের সাথে হুবহু না মিললে পরে সমস্যা হতে পারে। নাম দেখে দেখে লিখুন।

❌ মেয়াদ অস্পষ্ট

শুরু ও শেষ তারিখ ঠিকমতো না লিখলে মেয়াদ নিয়ে ঝামেলা হয়। দুই তারিখই স্পষ্ট লিখুন।

❌ বিলের নিয়ম লেখা নেই

বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল কে কীভাবে দেবেন তা না লিখলে মাস শেষে তর্ক হয়।

❌ রসিদ না নেওয়া

নগদ ভাড়া দিয়ে রসিদ না নিলে পরে প্রমাণ করা কঠিন হয়। প্রতিবার রসিদ নিন।

❌ পুরোটা না পড়েই স্বাক্ষর

প্রতিটি শর্ত পড়ে বুঝে স্বাক্ষর করুন। যা মানতে পারবেন না, তা আগেই বাদ দিন বা বদলে নিন।

৯ ফ্রি ও পেইড ভার্সন

DocsInHand-এ আপনি আগে ফ্রি ভার্সনে টুলটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। নিয়মিত বা একাধিক ডকুমেন্টের জন্য রয়েছে পেইড ভার্সন।

বিষয় ফ্রি ভার্সন পেইড ভার্সন
ব্যবহারের সময় ১ দিন ব্যবহারের সুযোগ ১ মাসের জন্য ৫০০ টাকা
ডকুমেন্ট ও টুল টুল দেখে নিয়ে নিজে যাচাই করার সুযোগ সাইটের সব ডকুমেন্টে প্রবেশাধিকার (বাংলা, ইংরেজি ও আরবি)
উপযোগী কাদের জন্য একটি চুক্তিপত্র বানিয়ে দেখতে চান যাঁরা নিয়মিত ডকুমেন্ট বানান যেমন ডিড রাইটার, প্রপার্টি ম্যানেজার, অফিস
ℹ️ জেনে রাখুন প্ল্যান, মূল্য ও সুবিধা সময়ে সময়ে পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ মূল্য ও সুযোগ-সুবিধা মূল্য তালিকার পেজে দেখে নিন।

পেইড ভার্সন কীভাবে নেবেন

  1. DocsInHand-এ রেজিস্ট্রেশন করুন ও লগ-ইন করুন।
  2. পেইড ভার্সনের পেজ থেকে পেমেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ১ মাসের প্যাকেজ নিন।
  3. পেমেন্ট যাচাই হলে আপনার একাউন্টে সব ডকুমেন্ট ও টুল চালু হয়ে যাবে।

ফ্রিতে শুরু করুন, দরকারে আপগ্রেড করুন

আগে ব্যবহার করে দেখুন। পছন্দ হলে পেইড ভার্সনে সব ডকুমেন্ট আনলক করুন।

১০ সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

এই মেকারে বানানো চুক্তিপত্র কি আইনত বৈধ?

চুক্তিপত্রটি দুই পক্ষের সম্মতিতে লিখিত দলিলের একটি কাঠামো, যা স্বাক্ষর, স্বাক্ষী ও প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্পসহ সম্পন্ন করতে হয়। আইনি বৈধতা, নিবন্ধন ও স্ট্যাম্পের নিয়ম আপনার ক্ষেত্রে কেমন, তা আইনজীবী বা স্থানীয় ডিড রাইটারের কাছে নিশ্চিত হয়ে নিন।

চুক্তিপত্র কোন কাগজে প্রিন্ট করতে হবে?

ফর্মে ১০০ + ১০০ + ১০০ + ১০০, ১০০ + ১০০ + ১০০ অথবা ২০০ + ১০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের অপশন আছে। আপনার প্রয়োজন ও স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী একটি বেছে নিয়ে সেই স্ট্যাম্পে প্রিন্ট নিন।

ভাড়া ও জামানত কথায় কীভাবে আসে?

অংকের ঘরে সংখ্যা (বাংলা বা ইংরেজি) লিখলেই পাশের “কথায়” ঘরে বাংলা কথা নিজে বসে যায়। যেমন ২০০০০০ লিখলে “দুই লক্ষ” আসবে। প্রয়োজনে কথার ঘর হাতে ঠিক করা যায়। দলিলে দুটিই ছাপা হয়, যেমন: টাকা : ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) মাত্র।

কোনো শর্ত দরকার না হলে কি বাদ দেওয়া যায়?

হ্যাঁ। শর্ত ৬ থেকে ১২ টিক দিয়ে নির্বাচন করতে হয়। যেটিতে টিক দেবেন না, সেটি দলিলে আসবে না এবং বাকিগুলোর নম্বর আপনাআপনি পরপর সাজানো থাকবে।

নিজের শর্ত যোগ করা যাবে কি?

যাবে। “নতুন শর্তাবলী” ঘরে (সর্বোচ্চ ১০০০ অক্ষর) প্রতি লাইনে একটি শর্ত লিখুন। নম্বর লেখার দরকার নেই, দলিলে ক্রমিক নম্বর নিজে বসবে। শর্ত দুই পক্ষের সম্মতিতেই লিখবেন।

ফর্ম পূরণের মাঝে পেজ বন্ধ হলে তথ্য হারাবে কি?

না। আপনার লেখা তথ্য একই ব্রাউজারে নিজে থেকে সেভ হয়, আবার পেজ খুললে ফিরে আসে। তবে ছবি আপলোড সেভ হয় না, তাই ছবি আবার বেছে নিতে হবে। একই ব্রাউজার ও ডিভাইস ব্যবহার করুন।

নতুন কারও জন্য চুক্তি বানাতে চাইলে পুরোনো তথ্য কীভাবে মুছব?

ফর্মের নিচের “✨ নতুন চুক্তিনামা শুরু করুন” বাটনে চাপুন। নিশ্চিত করলে সব সংরক্ষিত তথ্য মুছে ফর্ম নতুনভাবে শুরু হবে।

দলিলে ভুল পেলে কী করব?

দলিলের উপরে ও নিচে “Make Correction” বাটন আছে। চাপলে আগের ফর্মে ফিরে যাবেন, সেখানে ঠিক করে আবার “ডিড প্রিন্ট করুন” চাপুন।

PDF কীভাবে পাব?

দলিল খোলার পর “Print this page” চাপুন। প্রিন্টার হিসেবে “Save as PDF” (বা “Microsoft Print to PDF”) নির্বাচন করলে ফাইল সেভ হবে। স্ট্যাম্প পেপারে প্রিন্ট করতে চাইলে সরাসরি প্রিন্টার বেছে নিন।

ছবি কোন ফরম্যাটে ও কত সাইজে দেব?

JPG, JPEG, PNG বা GIF ফরম্যাট দিন। ফর্মে ন্যূনতম ২০KB উল্লেখ আছে, তাই খুব ছোট বা ঝাপসা ছবি এড়িয়ে পরিষ্কার ছবি দিন। ছবি না দিলেও দলিল তৈরি হবে।

মেস বা সিঙ্গেল রুমের জন্যও কি ব্যবহার করা যায়?

হ্যাঁ। টাইটেল ও প্রযোজ্য ক্ষেত্র থেকে ফ্ল্যাট/এ্যাপার্টমেন্ট, বাসা, মেস, সেমি পাকা বাসা বা সিঙ্গেল রুম নির্বাচন করুন। ভাড়া হবে রুম বা সীট, সেটি “যে ফ্ল্যাট/মেস/রুম ভাড়া হবে” ঘরে লিখুন।

ফ্রি ও পেইড ভার্সনের পার্থক্য কী?

ফ্রি ভার্সনে ১ দিন ব্যবহার করে দেখার সুযোগ আছে। পেইড ভার্সনে ১ মাসের জন্য ৫০০ টাকায় সাইটের সব ডকুমেন্ট (বাংলা, ইংরেজি ও আরবি) ব্যবহার করা যায়। প্ল্যান বদলাতে পারে, তাই সর্বশেষ তথ্য মূল্য তালিকার পেজে দেখুন।

আমার দেওয়া তথ্য কি নিরাপদ?

আপনার লেখা তথ্য আপনার ব্রাউজারেই সংরক্ষিত থাকে। অন্যের বা সরকারি কম্পিউটারে কাজ করলে শেষে “নতুন চুক্তিনামা শুরু করুন” চেপে তথ্য মুছে ফেলুন।

১১ DocsInHand সম্পর্কে

DocsInHand একটি বাংলা অনলাইন ডকুমেন্ট মেকার প্ল্যাটফর্ম। চিঠি, আবেদন, চুক্তিপত্র, লেটারহেড ও আরও নানা প্রয়োজনীয় কাগজ সহজ ফর্ম পূরণ করেই তৈরি করা যায়, কোনো ডিজাইন বা ফরম্যাটিংয়ের ঝামেলা ছাড়া। লক্ষ্য একটাই — ডকুমেন্ট তৈরির কাজ সবার হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা।

এখানে আরও যা পাবেন

📚 ফ্রি ইন্টারেক্টিভ বই পড়া 🧮 শতকরা ক্যালকুলেটর 💰 পারিবারিক দৈনিক/মাসিক হিসাব 🕌 ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী 🎂 জন্মদিন ক্যালকুলেটর 💬 দৈনিক উক্তি 🏅 দিনভিত্তিক বিখ্যাত ব্যক্তি ও নোবেল বিজয়ী 📝 লেটারহেড, সিগনেচার ও ইভেন্ট প্ল্যানার 🧒 কিশোর জ্ঞানভাণ্ডার

সাইট সম্পর্কে আরও জানতে ঘুরে আসুন: DocsInHand পরিচিতি পেজ

১২ লেখক পরিচিতি

মো

মোহাম্মদ শওকত আকবার

ওয়েব বিল্ডার ও WordPress প্লাগিন ডেভেলপার, ShowkatBD ব্র্যান্ডের অধীনে বাংলা ভাষার ডিজিটাল টুল, ডকুমেন্ট জেনারেটর ও ওয়েবসাইট তৈরি করেন। DocsInHand-এর ফর্ম ও ডকুমেন্ট মেকারগুলো এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে সাধারণ মানুষও বিনা ঝামেলায় নিজের কাগজ নিজেই বানাতে পারেন।

🌐 ShowkatBD 🔌 WordPress প্লাগিন 📄 বাংলা ডকুমেন্ট টুল
এই লেখাটি তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত। আইনি সিদ্ধান্তের আগে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
👁️ এই পোস্টটি দেখা হয়েছে 69 বার
শেয়ার করুন:FacebookWhatsAppEmailLinkedInRedditX
☆☆☆☆☆ 0 / ৫ (0 টি রিভিউ)
★★★★★

এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

DocsInHand TM

ওয়েব ও ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার, লেখক।

মন্তব্য করুন

স্পনসর্ড পোস্ট