📣 এই জায়গায় আপনার বিজ্ঞাপন দিন — মূল্য তালিকা দেখুন

ঋন দেয়া-নেয়ার চুক্তিপত্র

পড়তে ২৩ মিনিট

ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্র | Loan Agreement তৈরির সম্পূর্ণ গাইড

একটি গাইড   |   DocsInHand TM   |   একটি সমাধান

ব্যক্তিগত প্রয়োজন, ব্যবসা, জরুরি খরচ কিংবা অন্য কোনো কারণে অনেক সময় আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, পরিচিত ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক অংশীদারের কাছ থেকে টাকা ধার নিতে হয়। একইভাবে অনেকেই পরিচিত কাউকে বিশ্বাসের ভিত্তিতে অর্থ ঋণ দিয়ে থাকেন।

সম্পর্কের জায়গা থেকে অনেক সময় মনে হয়, “আমাদের মধ্যে আবার লিখিত চুক্তির কী দরকার?” কিন্তু বাস্তবে ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝি, হিসাবের অমিল, পরিশোধের সময় নিয়ে মতবিরোধ কিংবা কোনো পক্ষের অনুপস্থিতি বা মৃত্যুর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এই কারণেই ঋণ দেওয়া বা নেওয়ার সময় লিখিত চুক্তিপত্র তৈরি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

DocsInHand-এর ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ডিড মেকার ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে দ্রুত একটি খসড়া চুক্তিপত্র তৈরি করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী এর প্রিন্ট ফরম্যাট নির্বাচন করে ব্যবহার করা সম্ভব।

গুরুত্বপূর্ণ আইনগত সতর্কতা: DocsInHand-এর তৈরি নমুনা বা টেমপ্লেট একটি সাধারণ ডকুমেন্ট তৈরির সহায়ক মাধ্যম। নির্দিষ্ট অর্থের লেনদেন, জামানত, সুদ/লাভ, সম্পত্তি, ব্যবসায়িক অংশীদারি বা জটিল আইনগত শর্ত থাকলে চূড়ান্ত করার আগে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।
📑 সূচীপত্র
  1. ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্র কী?
  2. ঋণের চুক্তিপত্র কেন প্রয়োজন?
  3. কখন ঋণ চুক্তিপত্র করা উচিত?
  4. চুক্তিপত্রে কী কী তথ্য থাকা উচিত?
  5. ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার পরিচয়
  6. ঋণের পরিমাণ ও প্রদানের বিবরণ
  7. ঋণ পরিশোধের সময় ও পদ্ধতি
  8. কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের শর্ত
  9. সাক্ষীর গুরুত্ব
  10. জামানত বা নিরাপত্তার বিষয়
  11. চুক্তিপত্রে কোন বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে লিখবেন?
  12. চুক্তিপত্র তৈরির আগে কী কী সংগ্রহ করবেন?
  13. DocsInHand দিয়ে ঋণ চুক্তিপত্র তৈরি করার নিয়ম
  14. প্রিন্ট ও স্ট্যাম্প ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা
  15. ঋণ চুক্তিপত্রের নমুনা
  16. কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র ব্যবহার করা যায়?
  17. ঋণ চুক্তিপত্র করার সময় সাধারণ ভুল
  18. ঋণগ্রহীতা টাকা পরিশোধ না করলে কী করবেন?
  19. ঋণদাতা বা ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে কী হবে?
  20. ইসলাম ধর্মে ঋণ লেনদেন লিখে রাখার গুরুত্ব
  21. সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
  22. DocsInHand সম্পর্কে
  23. লেখক পরিচিতি
  24. উপসংহার

১. ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্র কী?

ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্র হলো এমন একটি লিখিত দলিল, যেখানে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্য একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেওয়ার বিষয়, সেই অর্থ গ্রহণের বিষয় এবং পরবর্তীতে তা কীভাবে ও কখন ফেরত দেওয়া হবে—এসব শর্ত লিখিতভাবে উল্লেখ করা হয়।

সহজভাবে বললে, কে টাকা দিচ্ছেন, কে টাকা নিচ্ছেন, কত টাকা নেওয়া হয়েছে, কখন নেওয়া হয়েছে, কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে এবং উভয় পক্ষের সম্মত শর্তগুলো কী— এসব লিখিতভাবে সংরক্ষণ করাই ঋণ চুক্তিপত্রের মূল উদ্দেশ্য।

এ ধরনের দলিলকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঋণ চুক্তিপত্র, ঋণনামা, অঙ্গীকারনামা, Loan Agreement বা Agreement হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট দলিলের আইনগত প্রভাব চুক্তির ধরন, বিষয়বস্তু এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

২. ঋণের চুক্তিপত্র কেন প্রয়োজন?

অনেক সময় পরিচিত মানুষকে বিশ্বাস করে টাকা দেওয়া বা নেওয়া হয়। কিন্তু কয়েক মাস বা কয়েক বছর পর দেখা যায়—টাকার পরিমাণ, পরিশোধের সময় অথবা অন্যান্য শর্ত নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।

একটি লিখিত চুক্তি যেসব বিষয়ে সহায়ক হতে পারে
  • টাকার পরিমাণ পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা।
  • টাকা দেওয়ার তারিখ সংরক্ষণ করা।
  • পরিশোধের সময়সীমা নির্ধারণ করা।
  • কিস্তির হিসাব পরিষ্কার রাখা।
  • উভয় পক্ষের দায়িত্ব নির্ধারণ করা।
  • সাক্ষীদের তথ্য সংরক্ষণ করা।
  • ভবিষ্যৎ ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা কমানো।

চুক্তিপত্রের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, মৌখিক কথার পরিবর্তে লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখিতভাবে সংরক্ষিত থাকে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৩. কখন ঋণ চুক্তিপত্র করা উচিত?

অর্থের পরিমাণ ছোট হোক বা বড়—পরিস্থিতি অনুযায়ী লিখিত নথি রাখা ভালো। বিশেষ করে বড় অঙ্কের বা দীর্ঘমেয়াদি লেনদেনে লিখিত চুক্তির গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

  • বড় অঙ্কের অর্থ ঋণ দিলে।
  • দীর্ঘ সময়ের জন্য ঋণ দিলে।
  • ব্যবসায়িক প্রয়োজনে অর্থ দিলে।
  • একাধিক কিস্তিতে টাকা ফেরত নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে।
  • জামানত বা নিরাপত্তা থাকলে।
  • আত্মীয় বা বন্ধুর সঙ্গে বড় অঙ্কের লেনদেন হলে।
  • পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলে।

সম্পর্ক যতই ভালো হোক, অর্থের লেনদেনে পরিষ্কার লিখিত হিসাব পারস্পরিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৪. চুক্তিপত্রে কী কী তথ্য থাকা উচিত?

একটি ভালো ঋণ চুক্তিপত্রে পক্ষগুলোর পরিচয়, ঋণের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের তথ্য, পরিশোধের সময় এবং অন্যান্য সম্মত শর্ত স্পষ্টভাবে থাকা উচিত।

বিষয় যে তথ্য রাখা যেতে পারে
ঋণদাতা নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্রের তথ্য, মোবাইল
ঋণগ্রহীতা নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্রের তথ্য, মোবাইল
ঋণের পরিমাণ অঙ্কে ও কথায় মোট অর্থ
অর্থ প্রদানের তথ্য তারিখ ও প্রদানের মাধ্যম
পরিশোধ শেষ তারিখ বা কিস্তির তথ্য
সাক্ষী নাম, পরিচয় ও স্বাক্ষর

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৫. ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার পরিচয়

চুক্তিপত্রে দুই পক্ষের পরিচয় যতটা সম্ভব স্পষ্টভাবে লেখা উচিত। শুধু নাম লিখে থেমে না গিয়ে প্রয়োজনে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য রাখা যেতে পারে।

একই নামে একাধিক ব্যক্তি থাকতে পারেন। তাই শুধু নামের ওপর নির্ভর না করে পরিচয় শনাক্ত করার মতো প্রয়োজনীয় তথ্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত তথ্যের বিষয়ে সতর্কতা: প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য চুক্তিপত্রে না রাখাই ভালো। লেনদেনের পরিচয় ও প্রয়োজন পূরণে যতটুকু তথ্য দরকার, সেটুকুই ব্যবহার করুন।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৬. ঋণের পরিমাণ ও প্রদানের বিবরণ

চুক্তিপত্রে ঋণের পরিমাণ অঙ্কে এবং কথায় উল্লেখ করা ভালো।

💰 উদাহরণ

ঋণের পরিমাণ: ৫,০০,০০০/- টাকা (পাঁচ লাখ টাকা মাত্র)।

টাকা কখন এবং কীভাবে দেওয়া হয়েছে, সেটিও উল্লেখ করা যেতে পারে।

  • নগদ অর্থ
  • ব্যাংক ট্রান্সফার
  • মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস
  • চেক
  • অন্য কোনো সম্মত মাধ্যম

ব্যাংক বা ডিজিটাল মাধ্যমে টাকা দিলে লেনদেনের রেফারেন্স বা ট্রানজেকশন নম্বর সংরক্ষণ করাও উপকারী।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৭. ঋণ পরিশোধের সময় ও পদ্ধতি

চুক্তিপত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো পরিশোধের শর্ত।

পরিশোধের শর্তে যেসব বিষয় পরিষ্কার করতে পারেন
  • টাকা কবে থেকে পরিশোধ শুরু হবে।
  • সর্বশেষ পরিশোধের তারিখ।
  • এককালীন নাকি কিস্তিতে পরিশোধ হবে।
  • মাসিক কিস্তির পরিমাণ।
  • কোন তারিখে কিস্তি দিতে হবে।
  • কী মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হবে।

যত পরিষ্কারভাবে লেখা হবে, ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা তত কমবে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৮. কিস্তিতে ঋণ পরিশোধের শর্ত

যদি ঋণ কিস্তিতে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে চুক্তিপত্রে একটি পরিষ্কার কিস্তি পরিকল্পনা রাখা ভালো।

বিষয় উদাহরণ
মোট ঋণ ৩,০০,০০০ টাকা
কিস্তি ১২টি
প্রতি কিস্তি ২৫,০০০ টাকা
প্রথম কিস্তি নির্ধারিত তারিখ
শেষ কিস্তি নির্ধারিত তারিখ

প্রতিটি কিস্তির টাকা পরিশোধের পর রসিদ, ব্যাংক রেকর্ড বা ডিজিটাল লেনদেনের প্রমাণ সংরক্ষণ করা ভালো।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

৯. সাক্ষীর গুরুত্ব

ঋণ চুক্তিপত্রে সাক্ষী রাখা অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সাক্ষীরা চুক্তির সময় উপস্থিত থেকে পক্ষগুলোর সম্মতি ও স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করতে পারেন।

সাক্ষীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের তথ্যগুলো রাখা যেতে পারে:

  • নাম
  • পিতা/মাতার নাম
  • ঠিকানা
  • পরিচয়পত্রের তথ্য
  • মোবাইল নম্বর
  • স্বাক্ষর

সাক্ষী নির্বাচন করার ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিকে রাখা ভালো, যিনি পক্ষগুলোর পরিচয় সম্পর্কে জানেন এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতে যোগাযোগ করা সম্ভব।

মনে রাখবেন: সাক্ষীর সংখ্যা ও প্রয়োজনীয়তা চুক্তির ধরন এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করতে পারে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১০. জামানত বা নিরাপত্তার বিষয়

কোনো ঋণের বিপরীতে যদি জামানত বা অন্য কোনো নিরাপত্তা রাখা হয়, তাহলে বিষয়টি চুক্তিপত্রে অস্পষ্টভাবে না লিখে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা উচিত।

  • জামানতের ধরন
  • সম্পত্তি বা বস্তুর পরিচয়
  • মালিকানার তথ্য
  • জামানতের আনুমানিক মূল্য
  • কোন পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে
  • ঋণ পরিশোধের পর জামানত কীভাবে ফেরত দেওয়া হবে
সম্পত্তি, গাড়ি, জমি বা অন্য কোনো মূল্যবান সম্পদকে জামানত হিসেবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সাধারণ টেমপ্লেটের ওপর নির্ভর না করে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১১. চুক্তিপত্রে কোন বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে লিখবেন?

চুক্তিপত্রে শুধু “টাকা ফেরত দেবেন”—এভাবে সাধারণ কথা লেখা যথেষ্ট নাও হতে পারে। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা উচিত।

১. ঋণের মোট পরিমাণ

কত টাকা ঋণ দেওয়া বা নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্টভাবে লিখুন।

২. পরিশোধের সময়সীমা

কোন তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে হবে তা উল্লেখ করুন।

৩. কিস্তির শর্ত

কিস্তি থাকলে কিস্তির সংখ্যা, পরিমাণ এবং তারিখ উল্লেখ করুন।

৪. অর্থ প্রদানের মাধ্যম

নগদ, ব্যাংক বা ডিজিটাল মাধ্যমে কীভাবে টাকা দেওয়া ও নেওয়া হবে তা উল্লেখ করা যেতে পারে।

৫. অতিরিক্ত অর্থের শর্ত

সুদ, মুনাফা বা অন্য কোনো অর্থের ব্যবস্থা থাকলে তা প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা উচিত।

৬. চুক্তি পরিবর্তনের নিয়ম

পরবর্তীতে কোনো শর্ত পরিবর্তন হলে তা লিখিতভাবে করার বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে।

৭. বিরোধ নিষ্পত্তি

কোনো বিরোধ দেখা দিলে কীভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তা পরিস্থিতি অনুযায়ী চুক্তিতে উল্লেখ করা যেতে পারে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১২. চুক্তিপত্র তৈরির আগে কী কী সংগ্রহ করবেন?

DocsInHand-এর ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ডিড মেকার ব্যবহার করার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র হাতের কাছে রাখলে কাজটি দ্রুত করা যায়।

ঋণদাতার তথ্য
  • নাম
  • ঠিকানা
  • মোবাইল নম্বর
  • প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
  • প্রয়োজনে ছবি
ঋণগ্রহীতার তথ্য
  • নাম
  • ঠিকানা
  • মোবাইল নম্বর
  • প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
  • প্রয়োজনে ছবি
ঋণের তথ্য
  • মোট টাকার পরিমাণ
  • টাকা প্রদানের তারিখ
  • পরিশোধের সময়
  • কিস্তির তথ্য
  • অন্যান্য সম্মত শর্ত

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৩. DocsInHand দিয়ে ঋণ চুক্তিপত্র তৈরি করার নিয়ম

DocsInHand-এর ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ডিড মেকারের উদ্দেশ্য হলো প্রয়োজনীয় তথ্য এক জায়গায় দিয়ে দ্রুত একটি চুক্তিপত্রের খসড়া তৈরি করতে সহায়তা করা।

  1. প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত করুন: ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতার প্রয়োজনীয় তথ্য আগে সংগ্রহ করুন।
  2. ফরম পূরণ করুন: ডিড মেকারের প্রতিটি প্রয়োজনীয় ঘরে সঠিক তথ্য লিখুন।
  3. টেমপ্লেট নির্বাচন করুন: আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী প্রিন্ট ফরম্যাট বা টেমপ্লেট নির্বাচন করুন।
  4. Preview দেখুন: চুক্তিপত্র তৈরি হওয়ার পর পুরো ডকুমেন্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা করুন।
  5. তথ্য যাচাই করুন: নাম, ঠিকানা, টাকার পরিমাণ, তারিখ, মোবাইল নম্বর ও অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে নিন।
  6. প্রিন্ট করুন: সব তথ্য সঠিক থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রিন্ট নিন।

প্রিন্ট দেওয়ার আগে অবশ্যই আপনার প্রিন্টারের কাগজের মাপ, মার্জিন এবং নির্বাচিত টেমপ্লেট অনুযায়ী সেটিংস পরীক্ষা করুন।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৪. প্রিন্ট ও স্ট্যাম্প ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা

ঋণ চুক্তিপত্রের ক্ষেত্রে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে স্ট্যাম্পের মূল্য, সংখ্যা, দলিলের ধরন এবং প্রযোজ্য কর বা শুল্ক চুক্তির প্রকৃতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ: পুরোনো কোনো নমুনা দেখে নির্দিষ্ট টাকার স্ট্যাম্প সব ধরনের ঋণ চুক্তির জন্য বাধ্যতামূলক—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। চুক্তির প্রকৃতি অনুযায়ী বর্তমান প্রযোজ্য বিধান যাচাই করুন।

প্রিন্ট করার আগে নিচের বিষয়গুলো যাচাই করুন:

  1. চুক্তির প্রকৃতি নির্ধারণ করুন।
  2. প্রযোজ্য স্ট্যাম্প বা শুল্ক সম্পর্কে নিশ্চিত হন।
  3. প্রয়োজনে আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিন।
  4. চুক্তির সব পৃষ্ঠা ঠিকভাবে প্রস্তুত করুন।
  5. প্রয়োজনীয় পক্ষ ও সাক্ষীদের স্বাক্ষর সম্পন্ন করুন।
  6. উভয় পক্ষের কাছে চুক্তির একটি করে কপি রাখুন।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৫. ঋণ চুক্তিপত্রের নমুনা

নিচে একটি সাধারণ ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্রের কাঠামোর উদাহরণ দেওয়া হলো। এটি ধারণা বোঝানোর জন্য। আপনার প্রকৃত লেনদেন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পরিবর্তন বা সংযোজন করা প্রয়োজন হতে পারে।

📄 ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্রের নমুনা

ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্র

এই চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নিম্নলিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে ঋণ দেওয়া-নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করা হলো।

প্রথম পক্ষ (ঋণদাতা):
নাম: ………………………………………………..
পিতা/মাতা: …………………………………………..
ঠিকানা: ……………………………………………..
জাতীয় পরিচয়পত্র: …………………………………….
মোবাইল: …………………………………………….

দ্বিতীয় পক্ষ (ঋণগ্রহীতা):
নাম: ………………………………………………..
পিতা/মাতা: …………………………………………..
ঠিকানা: ……………………………………………..
জাতীয় পরিচয়পত্র: …………………………………….
মোবাইল: …………………………………………….

উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষের কাছ থেকে ……………. টাকা (………………………….. টাকা মাত্র) ঋণ হিসেবে গ্রহণ করলেন।

উক্ত অর্থের পরিশোধের সময়সীমা হবে ………………………………………………..।

ঋণটি এককালীন/কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। কিস্তিতে পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতি কিস্তির পরিমাণ হবে ……………. টাকা এবং পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ হবে ………………………………………………..।

উভয় পক্ষ চুক্তিপত্রে উল্লেখিত শর্তগুলো পড়ে, বুঝে এবং স্বেচ্ছায় সম্মত হয়ে স্বাক্ষর করলেন।


প্রথম পক্ষের স্বাক্ষর

………………………………
দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর

………………………………
সাক্ষী-১
নাম: ………………………………
স্বাক্ষর: …………………………..
সাক্ষী-২
নাম: ………………………………
স্বাক্ষর: …………………………..

তারিখ: ………………………………………………..

নোট: উপরের নমুনাটি একটি সাধারণ কাঠামো মাত্র। বাস্তব ঋণ লেনদেনে আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনগতভাবে উপযুক্ত শর্ত যুক্ত করা প্রয়োজন হতে পারে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৬. কোন কোন ক্ষেত্রে চুক্তিপত্র ব্যবহার করা যায়?

লিখিত চুক্তিপত্র শুধু ঋণ লেনদেনেই নয়, জীবনের বিভিন্ন ধরনের লেনদেন ও সমঝোতায় প্রয়োজন হতে পারে।

ব্যবসায়িক লেনদেন

একজন ব্যবসায়ী অন্য ব্যবসায়ীকে বাকিতে পণ্য দিলে লেনদেনের শর্ত লিখিতভাবে রাখা যেতে পারে।

অংশীদারি ব্যবসা

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে ব্যবসা শুরু করলে অংশীদারদের দায়িত্ব, মূলধন, লাভ-ক্ষতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়গুলো লিখিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাড়ি ভাড়া

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে ভাড়া, সময়কাল ও অন্যান্য সম্মত শর্ত লিখিতভাবে রাখা হয়।

সেবা গ্রহণ

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত কোনো সেবা নিলে সেবার মূল্য, সময়কাল, দায়িত্ব ও শর্ত চুক্তিতে উল্লেখ করা যেতে পারে।

যেখানে ভবিষ্যতে কোনো শর্ত নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা আছে, সেখানে লিখিত নথি সম্পর্ক ও লেনদেনকে আরও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৭. ঋণ চুক্তিপত্র করার সময় সাধারণ ভুল

চুক্তিপত্র তৈরি করার সময় কিছু সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা উচিত।

❌ শুধু মৌখিক কথার ওপর নির্ভর করা

“পরিচিত মানুষ, সমস্যা হবে না”—এমন ধারণা ভবিষ্যতে সমস্যার কারণ হতে পারে।

❌ টাকার অঙ্ক অস্পষ্ট রাখা

অঙ্কে এবং কথায় টাকার পরিমাণ পরিষ্কার রাখা ভালো।

❌ পরিশোধের তারিখ না লেখা

কখন টাকা ফেরত দিতে হবে তা স্পষ্ট না থাকলে বিরোধের সম্ভাবনা বাড়ে।

❌ ভুল তথ্য দেওয়া

নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্রের তথ্য বা টাকার অঙ্কে ভুল থাকলে পরে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

❌ চুক্তি না পড়ে স্বাক্ষর করা

প্রতিটি পক্ষের উচিত চুক্তির সব শর্ত বুঝে তারপর স্বাক্ষর করা।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৮. ঋণগ্রহীতা টাকা পরিশোধ না করলে কী করবেন?

চুক্তিতে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও ঋণগ্রহীতা টাকা পরিশোধ না করলে প্রথমে শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে।

  1. ঋণগ্রহীতাকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো।
  2. বকেয়া টাকার হিসাব তৈরি করা।
  3. নতুন সময়সীমা প্রয়োজন হলে লিখিত সমঝোতা করা।
  4. পূর্বের চুক্তি ও অর্থ প্রদানের প্রমাণ সংরক্ষণ করা।
  5. প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া।
কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে চুক্তি, লেনদেনের ধরন, প্রমাণ এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

১৯. ঋণদাতা বা ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে কী হবে?

দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষের মৃত্যু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। এই কারণেই চুক্তিপত্রে পক্ষগুলোর পরিচয় ও লেনদেনের তথ্য পরিষ্কারভাবে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

চুক্তির প্রকৃতি অনুযায়ী উত্তরাধিকারী, আইনগত প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের ভূমিকা তৈরি হতে পারে। তবে কার কী আইনগত অধিকার বা দায় থাকবে, তা নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনের বিষয়।

তাই বড় অঙ্কের বা দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে শুরুতেই আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

২০. ইসলাম ধর্মে ঋণ লেনদেন লিখে রাখার গুরুত্ব

ইসলামে ঋণ ও আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে লিখিত নথি রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে।

পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৮২-এ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ লেনদেন হলে তা লিখে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিপিবদ্ধ করা ও সাক্ষীর ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

এই নির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—ঋণ লেনদেনে স্বচ্ছতা, ন্যায়, লিখিত হিসাব এবং সাক্ষ্য ভবিষ্যতের সন্দেহ ও বিরোধ কমাতে সহায়ক।

অর্থাৎ, কাছের মানুষ হলেও অর্থের লেনদেনকে পরিষ্কারভাবে লিখে রাখা পারস্পরিক অধিকার রক্ষার একটি দায়িত্বশীল পদ্ধতি।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

২১. সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

ঋণ দেওয়ার সময় কি চুক্তিপত্র করা জরুরি?

বড় বা গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেনে লিখিত চুক্তিপত্র রাখা অত্যন্ত উপকারী। তবে নির্দিষ্ট লেনদেনে আইনগতভাবে কী ধরনের দলিল প্রয়োজন, তা পরিস্থিতি অনুযায়ী যাচাই করা উচিত।

আত্মীয়কে টাকা ধার দিলেও কি চুক্তিপত্র করা উচিত?

হ্যাঁ, বড় অঙ্কের টাকা হলে আত্মীয় বা বন্ধুর ক্ষেত্রেও লিখিত নথি রাখা ভালো। এতে সম্পর্কের অবিশ্বাস নয়, বরং লেনদেনের স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

চুক্তিপত্রে কি জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিতে হবে?

প্রয়োজন অনুযায়ী পরিচয় নিশ্চিত করার তথ্য রাখা যেতে পারে। তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ বা সংরক্ষণ না করাই ভালো।

চুক্তিপত্রে ছবি দেওয়া যায়?

প্রয়োজন অনুযায়ী পক্ষগুলোর ছবি যুক্ত করা যেতে পারে। ব্যবহৃত টেমপ্লেটে ছবির সুবিধা থাকলে তা ব্যবহার করা যায়।

সাক্ষী রাখা কি প্রয়োজন?

চুক্তির ধরন ও প্রযোজ্য আইনের ওপর বিষয়টি নির্ভর করতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে সাক্ষীর তথ্য ও স্বাক্ষর রাখা ভবিষ্যতে সহায়ক হতে পারে।

কিস্তিতে ঋণ দিলে কীভাবে লিখব?

মোট ঋণ, কিস্তির সংখ্যা, প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ, পরিশোধের তারিখ এবং শেষ কিস্তির সময়সীমা স্পষ্টভাবে লিখুন।

DocsInHand দিয়ে কি চুক্তিপত্র তৈরি করা যায়?

হ্যাঁ। প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে DocsInHand-এর ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ডিড মেকারে একটি খসড়া চুক্তিপত্র তৈরি করা যায়।

DocsInHand-এর তৈরি চুক্তিপত্র কি আইনজীবীর বিকল্প?

না। DocsInHand একটি ডকুমেন্ট তৈরির সহায়ক প্ল্যাটফর্ম। জটিল বা বড় অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্ট্যাম্পের দাম কত হবে?

এটি চুক্তির ধরন ও প্রযোজ্য আইন বা বিধির ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই পুরোনো কোনো নমুনা দেখে নির্দিষ্ট মূল্য ধরে না নিয়ে বর্তমান প্রযোজ্য বিধান যাচাই করুন।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

DocsInHand দিয়ে সহজে ডকুমেন্ট তৈরি করুন

প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখুন, ফরম পূরণ করুন এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ডকুমেন্টের খসড়া তৈরি করুন।

DocsInHand ভিজিট করুন

২২. DocsInHand সম্পর্কে

DocsInHand হলো বাংলা ভাষাভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, আবেদনপত্র, চিঠি, সনদ, ফরম ও অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরিতে সহায়তাকারী একটি প্ল্যাটফর্ম।

ব্যক্তিগত, চাকরি, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দ্রুত প্রস্তুত করার লক্ষ্যেই DocsInHand-এর বিভিন্ন টুল তৈরি করা হচ্ছে।

ঋণ দেওয়া-নেওয়ার চুক্তিপত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে একটি খসড়া প্রস্তুত করা যায়।

DocsInHand-এর মূল লক্ষ্য হলো প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরির প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত এবং ব্যবহারবান্ধব করা।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

২৩. লেখক পরিচিতি

মোহাম্মদ শওকত আকবার

লেখক, কবি, প্রযুক্তি উদ্ভাবক ও কনটেন্ট নির্মাতা

Founder — DocsInHand

লেখকের বিস্তারিত পরিচিতি দেখুন

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

২৪. উপসংহার

ঋণ দেওয়া বা নেওয়া একটি আর্থিক দায়িত্ব। এখানে শুধু পারস্পরিক বিশ্বাসই নয়, বরং পরিষ্কার শর্ত, সঠিক হিসাব এবং প্রয়োজনীয় লিখিত নথিও গুরুত্বপূর্ণ।

বন্ধু, আত্মীয়, পরিচিত ব্যক্তি কিংবা ব্যবসায়িক অংশীদার—যার সঙ্গেই অর্থের লেনদেন হোক না কেন, ভবিষ্যতে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখিতভাবে রাখা দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।

একটি ভালো ঋণ চুক্তিপত্রে থাকবে পক্ষগুলোর পরিচয়, ঋণের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের তথ্য, পরিশোধের সময়সীমা, কিস্তির শর্ত, সাক্ষী এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য শর্ত।

DocsInHand-এর ঋণ দেওয়া-নেওয়ার ডিড মেকার এই প্রাথমিক ডকুমেন্ট তৈরির কাজকে আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা যায়।

তবে মনে রাখবেন—ডকুমেন্ট তৈরি করা আর আইনগত পরামর্শ এক বিষয় নয়। বড় অঙ্কের অর্থ, সম্পত্তি, জামানত, ব্যবসায়িক অংশীদারি, সুদ/লাভ বা জটিল শর্ত জড়িত থাকলে চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আগে একজন যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সময় ও পরিশ্রম বাঁচিয়ে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তৈরিতে DocsInHand আপনার পাশে থাকুক।

শুভকামনা রইল।

↑ সূচীপত্রে ফিরে যান

22

ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড মেকার, ঋন দেয়ার চুক্তিপত্র তৈরির দ্রুততর ও সহজ ক্লিক সমাধান। নিচের ফরমটি ফিলাপ করুন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী টেম্পলেট পছন্দ করে অর্থাৎ আপনি ডকুমেন্ট কয় পাতা বা কয়টি নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে প্রিন্ট করতে চাচ্ছেন সে মোতাবেক প্রিন্ট করুন।

আমরা প্রায়শই ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আত্নীয়-স্বজন,  বন্ধু-বান্ধব, ব্যবসায়ি পার্টনার বা একই সমাজে বসবাসকারী পরিচিত জনদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ঋন (Loan)  হিসেবে গ্রহন করে থাকি। আর সেই ঋন গ্রহন বা প্রদানে একে অন্যের সাথে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় , তাই ঋন গ্রহনের বা ঋন প্রদানের চুক্তিপত্র বা ডিড।

ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড তৈরির জন্য একজন বিজ্ঞ আইনজীবির প্রয়োজন হয়। যিনি ঋন দাতা বা ঋন গ্রহীতার ঋন গ্রহনের বা প্রদানের সকল শর্তাবলী জেনে একটি চুক্তিপত্র তৈরি করেন। যেখানে ঋনদাতা, ঋন গ্রহীতা এবং উভয়ের পক্ষ হতে ঋন প্রদানের কার্যক্রমে উপস্থিত কয়েকজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষর সহ একটি চুত্তিপত্র সম্পাদিত হয়। যাতে অদূর ভবিষ্যতে ঋন দাতা ও ঋন গ্রহীতার মাঝে ঋন পরিশোধে কোনরকম বিবাদের সৃষ্টি না হয়। আর হলেও যেন ঋন দাতা এবং ঋন গ্রহীতা দেশে প্রচলিত আইনের সহায়তা গ্রহন করতে পারেন।

এই চুক্তির বলে ঋন দাতা এবং ঋন গ্রহীতা উভয়েই যার যার অবস্থান থেকে নিরাপদ থাকেন। আর অনাকাংখিতভাবে যদি উভয়ের মাঝে কোনরকম বিবাদ সৃষ্টি হয় বা ঋনদাতা বা ঋনগ্রহীতার কোন একজন মৃত্যুবরন করেন, সেক্ষেত্রে এই চুক্তিপত্র তাদের পরিবারকে ঋন উত্তোলনে বা ঋন পরিশোধে সর্বত্বক সহায়তা করতে পারে।

তাই, আমাদের উচিত ঋন গ্রহনে বা ঋন প্রদানে অবশ্যই চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত করা । 

একজন বিজ্ঞ উকিল, ঋন দাতা, ঋন গ্রহীতার জন্যেই আমার এই ঋন দেয়া- নেয়ার ডিডি তৈরির ফরম। যেখান থেকে সহজেই অল্প সময়ে একটি চুক্তিপত্র তৈরি করা যায় ক্লিকেই।

এই ফরমে ঋন দেয়া নেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সকল শর্তাবলীই উল্লেখ আছে, বেছে বেছে ক্লিক করলেই তৈরি হবে ঋন দেয়া নেয়ার চুক্তিপত্র। 

সময় আর অর্থ বাঁচাতেই এই প্রয়াস। 

মাত্র ২ মিনিটে রেডি হবে ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড :

এই ফরম দিয়ে তৈরি চুক্তিনামার উদাহরন নিন্মরুপ :

1. ঋনদাতা ও ঋনগ্রহীতার ছবিসহ এক পাতায় প্রিন্ট করা চুক্তিনামা

[pdf-embedder url="https://docsinhand.com/blog/wp-content/uploads/2024/05/revenue_stamp_print_sample2.pdf%22]

2. ঋনদাতা ও ঋনগ্রহীতার ছবিসহ তিন পাতায় প্রিন্ট করা চুক্তিনামা

[pdf-embedder url="https://docsinhand.com/blog/wp-content/uploads/2024/05/revenue_stamp_print_3pgs.pdf%22]

[divider style=”dashed” top=”20″ bottom=”20″]

3. ঋনদাতা ও ঋনগ্রহীতার ছবিছাড়া তিন পাতায় প্রিন্ট করা চুক্তিনামা।

[pdf-embedder url="https://docsinhand.com/blog/wp-content/uploads/2024/05/ongikarnama3.pdf%22]

এখান থেকে চুক্তিনামা তৈরি করতে প্রথমেই যা সংগ্রহে রাখতে হবে :

1. ঋন গ্রহিতা ও ঋন দাতা উভয়ের ছবি। যা স্ক্যান করে বা মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে রাখুন। ফরম ফিলাপে এর প্রয়োজন পড়বে।

2. উভয়ের জাতীয় পরিচয় পত্র, ফরম ফিলাপে এর নাম্বার ও ঠিকানা প্রয়োজন হবে।

3. প্রয়োজন অনুযায়ী নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প, ১, ২ ও ৩টি।

4. মুসাবিদাকারকের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার।

যেভাবে ফরম ফিলাপ ও প্রিন্ট করবেন:

1. ফরমের প্রতিটি অপশন পুরন করুন।

2. ফরম পুরন শেষে নিচ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো একটি টেম্পেলেটের উপর ক্লিক করলেই চুক্তিনামা দৃশ্যমান হবে।

3. চুক্তিনামার নিচে প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করুন।

4. প্রিন্ট ব্রাউজার ওপেন হবে।

5. পেপার সাইজ লিগ্যাল সিলেক্ট করুন

6. মার্জিন অপশন থেকে কাষ্টম ক্লিক করুন। দেখুন চুক্তিনামাটির চারপাশে কাষ্টম মার্জিন বর্ডার শো হচ্ছে।

7. মাউস পয়েন্টার উক্ত বর্ডারে রেখে ক্লিক ও ড্রাগ করে উপর থেকে 4.15 ইঞ্চি নামিয়ে আনুন।

8. ডান, বাম, নিচে উপরের মতো ক্লিক ও ড্রাগ করে মার্জিন সেট করুন। ডানে-0.50, বামে-0.50, নিচে-0.13  সেট করুন।

9. পেজ সেট আপ হয়ে গেলে এবার প্রিন্টারে নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পটি প্রবেশ করান।

10. সর্বশেষ প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করুন।

বাংলাদেশ আইন অনুসারে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল ১টি স্ট্যাম্পে অথবা ১০০ টাকার ৩ টি স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করতে হবে। আপনি ৩ টি পেইজে ভাগ করে প্রিন্ট করে নিবেন।

ব্যাস, হয়ে গেলো চুক্তিনামা তৈরি।

এক পাতায় প্রিন্ট করা একটি ডিডের উদাহরন। এখানে ১০০ টাকার ষ্ট্যাম্প দৃশ্যমান হচ্ছে, যা নমুনা কপি হিসেবেই তৈরি করে দেখানো হয়েছে। ১ পাতায় হলে ৩০০ টাকার ১টি ষ্ট্যাম্প, আর ৩ পাতায় হলে ১০০ টাকার ৩টি ষ্ট্যাম্পে প্রিন্ট করতে হবে।

ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড

ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড এর বিস্তারিত :

ঋন দেয়া-নেয়ার ডিড: অংগিকারনামা, চুক্তিপত্র, এগ্রিমেন্ট (Agreement), ডিড ( Deed) , দলিল – মূলত: এ সবই হচ্ছে একের সাথে অন্যের বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতা করার লিখিত আইনি নথি। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। যেখানে উল্লেখিত শর্তসমুহে উভয়পক্ষ বা চুক্তি সম্পাদনকৃতরা সকলেই দায়বদ্ধ থাকে।  কেউ যদি কারো দ্বারা প্রতারনার শিকার হয়, সেক্ষেত্রে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ থাকে।

যৌথ ব্যবসাসহ যে কোন অর্থের লেনদেনে এই চুক্তিনামা অনাকাংখিত ঝামেলা এড়াতে সহায়ক। যৌথ ব্যবসা, যে কোন অর্থের লেনদেন, কোনো সেবাপ্রদান বা গ্রহনে অবশ্যোই চুক্তিপত্রের বিকল্প কিছু নেই। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় থাকে।

চুক্তি এবং চুক্তিপত্র নিয়ে ১৮৭২ সালের বাংলাদেশস আইনে বলা হয়, একজন সুস্থ, স্বাভাবিক মস্তিষ্কের অধিকারী ব্যক্তি এবং অবশ্যই আইনের দৃষ্টিতে সাবালক হতে হবে শর্তে আরোপিত হয়ে যদি অন্য কোন একই শর্তে আরোপিত ব্যক্তির সঙ্গে কোনোবস্তু অর্থের বিনিময়ে কিংবা কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বস্তুর বিনিময়ে আদান প্রদানের জন্য লিখিতভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন নতুন উদ্যোগের শামিল হয়, সেই সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটিকে চুক্তি বলে। এবং চুক্তির জন্য উভয়পক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত শর্তবলীর লিপিকেই চুক্তিপত্র হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়ে থাকে।

এই  বোঝা পড়া একাধিক ব্যাক্তি বা প্রতিষ্টানের মাঝে হয়ে থাকে।

সৃষ্টির শুরে থেকেই মানুষে মানুষে বিনিময় করেছে। সামাজিক জীব হয়ে একে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়েছে নিবিড়ভাবে। পর্যায়ক্রমে এই বিনিময়ের পদ্বতিকে সাবলিল, সহজ, ঝামেলামুক্ত, একের সাথে অন্যের সম্পর্ক অটুট রাখতেই সৃষ্টি হয়েছে সময়োপযোগী চুক্তিপত্র করার।

ইসলাম ধর্মে চুক্তিপত্রের গুরত্ব ও বিধান: আশ্চর্যের ব্যাপার হল, ইসলাম ধর্মে চুক্তিপত্র সম্পর্কিত একটি আকাট্য দলিল নাজিলহয়েছে। লেনদেন পরবর্তী অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে লেনদেন করার পূর্বে উপযুক্তস্বাক্ষীর উপস্থিতে চুক্তিপত্র সম্পাদনের জন্য কোরআনে তাগিদ দেয়া হয়েছে।

হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তালিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখকলিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখেদেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকেভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে।

অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলেদিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজনমহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করাউচিত নয়।

তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এলিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহতরাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবারনগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোনঅভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্র য়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকেক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়।আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন। [ সুরা বাকারা২:২৮২ ]

চুক্তিপত্র ব্যবহারের ক্ষেত্র: মোট কথা, চলমান জীবনে মানুষ একের উপর আরেকজন নির্ভরশীল। আর এই নির্ভরতার কারনেই একের সাথে অন্যের বিনিময় অর্থাৎ অর্থনৈতিক লেনদেন  করতে হয়।

ধরুন,

– আপনি বিক্রেতা, অর্ধেক মুল্য হাতে পেয়ে ক্রেতাকে বাকীতে পন্য দিয়ে দিলেন, সেক্ষেত্রে চুক্তি করুন।

– ভাড়াটিয়া হলে বাড়িওয়ালার সাথে চুক্তি করুন

– কোনো প্রতিষ্টান থেকে নিয়মিত সেবা নিচ্ছেন, চুক্তি করুন।

– কোণো প্রতিষ্টানে চাকরি হয়েছে, সেই প্রতিষ্টানের সাথে চুক্তি করুন।

– বন্ধুরা মিলে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন-চুক্তি করুন।

বয়স: যখনই চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার জন্য দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তখনই প্রথম যে জিনিসটা মাথায় রাখতে হবে তা হচ্ছে বয়স। চুক্তি সম্পাদনকারী উভয় ব্যক্তিকে অবশ্যই আইনের চোখে স্বাবলম্বী, সাবালক এবং সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে।

প্রস্তাবনা: প্রত্যেক চুক্তিতে অবশ্যই একজন আরেকজনের সাথে প্রস্তাব আদান প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং উভয়পক্ষের সম্মতি আবশ্যক। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে চুক্তিবদ্ধ হতেআহ্বান জানাবে এবং অপর পক্ষ সে আহ্বান সম্মতি জ্ঞাপন করতে প্রতিদান স্বরুপ কিছু প্রথম পক্ষকে দিতে হবে। বলা বাহুল্য, প্রতিদান ছাড়া কোনো চুক্তিই সম্পাদিত হয় না।

অংশীদারি চুক্তি: অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কিংবা দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনো ব্যবসা কিংবা কোনোকিছু উদ্যোগ নেওয়ার যে বিষয়বস্তু লিপিবদ্ধ করা থাকে তাকে অংশীদারি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করা হয়। এই চুক্তিপত্রে মূলত ব্যবসায়িক গঠন, উদ্দেশ্য, অধিকার, দায় দায়িত্ব, পরিচালনা পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

কন্ট্রিবিউটরের ভাষ্য : ঋন গ্রহন ও ঋন প্রদােনের অঙ্গিকারনামা তৈরির টুলটি যদি বিন্দু মাত্রও আপনার উপকার হয়, তবেই আমার এই কষ্ট সার্থক। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন, সুস্থতার সাথে নেক আয়ু দান করুন এই দোয়ায়..

শওকতবিডি হোক আপনার প্রতি মুহর্তের সঙ্গী। হয়ে উঠুক আপনার সেমিঅফিস।

👁️ এই পোস্টটি দেখা হয়েছে 37 বার
শেয়ার করুন:FacebookWhatsAppEmailLinkedInRedditX
☆☆☆☆☆ 0 / ৫ (0 টি রিভিউ)
★★★★★

এখনো কোনো রিভিউ নেই — প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

DocsInHand TM

ওয়েব ও ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার, লেখক।

মন্তব্য করুন

স্পনসর্ড পোস্ট